T.N.S Agro Culture

Directions

T.N.S Agro Culture Fishari, Poultry, Dairy and agricultural any kind of things are available here. fishary, poltry, dairy and agriculture things are grow up and sale from here

28/06/2026

কোয়েল পাখির ডিম বা বাচ্চা নিতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

01911550882 এই নাম্বার এ।
কটোনিক্স এবং কিং কোয়েল ও পাওয়া যায়।

Forget all the sadness, pain, anger, pride, hatred, pain of the past. Let's move forward, have a good new year for every...
01/01/2022

Forget all the sadness, pain, anger, pride, hatred, pain of the past. Let's move forward, have a good new year for everyone.

05/11/2018

টি.এন.এস এগ্রো কালচার এর সকল ফলোয়ার এবং ব্যবসায়ী দের জানাই পাণঢালা ভালবাসা।
আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

 #লেয়ারের_নির্দিষ্ট_অালোকসূচীঃলেয়ার মুরগীতে ডিম উৎপাদনে লাইটিং অনেক গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয়। সাধারনত প্রোডাকশন পিরিয়ডে ১৫...
19/11/2017

#লেয়ারের_নির্দিষ্ট_অালোকসূচীঃ
লেয়ার মুরগীতে ডিম উৎপাদনে লাইটিং অনেক গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয়। সাধারনত প্রোডাকশন পিরিয়ডে ১৫-১৬ ঘন্টা লাইট দিতে হয়। সর্বোচ্চ ডিম উৎপাদনের জন্য নিরবিচ্ছিন্নভাবে ১৫-১৬ ঘন্টা অালোর পাশাপাশি আলো প্রদানের সময়ও নির্দিষ্ট বা স্থির করা উচিত। উদাহরন স্বরূপঃ আজ ১০ টা পর্যন্ত অালো দিলেন, কাল সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত, পরেরদিন আবার ১০ টা পর্যন্ত দিলেন এমন বিক্ষিপ্ত আলোকসূচীতে সর্বোচ্চ প্রোডাকশন বাধাপ্রাপ্ত হয়। তাই আলো দেবার সময় স্থির করে আলোক প্রদান করতে হবে।

আবার, আমাদের দেশে প্রতি ১-২ দিন পর পর ১ মিনিট করে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় পরিবর্তিত হয়। ফলে দেখা যায় প্রায় ১ মাসে ২০-৩০ মিনিট করে সূর্যোদয়ের সময় পরিবর্তিত হয়। এরকম অবস্থায় অালো প্রদানের জন্য সূর্যোদয়ের উপর নির্ভর না করে সকালে একটি সময় নির্দিষ্ট করে আলো প্রদান করতে হবে। যেমন ধরেন ভোর ৫:০০ টায় আলো প্রদান শুরু করবেন। এখন সূর্যোদয় যখনই হোক আপনি ভোর ৫:০০ টা থেকে অালো দেয়া শুরু করবেন এবং সূর্য অস্ত যাবার সাথে সাথে আলো প্রদান করে ১৬ ঘন্টা পূর্ন করতে হবে।
এতে করে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে আলোকসূচী মেনে চলতে পারবেন।

#নির্দিষ্ট_আলোকসূচীর_সুবিধাঃ
১. এতে আপনার মুরগীর ওভুলেশন প্রতিদিন মোটামুটি একই সময়ে হবে।
২. মুরগীগুলো প্রতিদিন মোটামুটি একই সময়ে ডিম দিবে।
৩. ব্যবস্থাপনাগত সুবিধা বাড়বে।
৪. সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত হবে।

04/11/2017

সকল পোল্ট্রি খামারী ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক সালাম ও মোবারকবাদ । যারা দেশি মুরগি পালন করছেন বা নতুন খামার করতে চান তাদের জন্য আজ দেশী মুরগির ভ্যাকসিন প্রদানের নিয়মাবলী ও সময়সূচি প্রদান করা হলো। আশাকরি সকলের জন্যই উপকারে আসবে!

1: ভ্যাকসিন রাণীক্ষেত : প্রথমবার 5 দিন বয়সে চোখে অথবা পানিতে দিয়ে খাওয়াতে হবে। তবে যারা একেবারেই নতুন খামারী আপনারা হোমীও ঔষধের ড্রপ দিয়ে যতগুলো বাচ্চা তার থেকে কয়েক ফোটা পানি বেশী নিয়ে একটি পাত্রে ভ্যাকসিন গুলিয়ে প্রতিটি বাচ্চাকে 1 ফোটা করে খাইয়ে দিবেন।

দ্বিতীয় বার : 21 দিন বয়সে 1 ঘন্টা খাইতে পারে এতটুকু পানিতে ভ্যাকসিন গুলিয়ে দিবেন ওরা নিজেরাই খেয়ে নিবে।

তৃতীয় বার : 60 দিন বয়সে একই নিয়মে খাইয়ে দিবেন।

ভ্যাকসিন গামব্রো : প্রথম বার 10 দিন বয়সে। যতগুলো বাচ্চা তার থেকে কয়েক ফোটা বেশি পানিতে গুলিয়ে প্রতিটি বাচ্চাকে 1 ফোটা করে খাইয়ে দিবেন।

দ্বিতীয় বার 25 দিন বয়সে 1ঘন্টার পানিতে গুলিয়ে খাইয়ে দিবেন।

ভ্যাকসিন ফাউল ফক্স : প্রথম বার 35 দিন বয়সে 500 বাচ্চার জন্য 20মিলি পানিতে ভ্যাকসিন গুলিয়ে ডানার চামড়ায় সুচ দিয়ে ফুটিয়ে দিবেন। বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন সুচ যেন মাংস / হাড্ডিতে কোন অবস্থাতেই আঘাত না লাগে।

দ্বিতীয় বার : 55 দিন বয়সে। একই নিয়মে

03/06/2017
খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস পালন লেয়ার মুরগীর চেয়েও বেশ লাভজনক =========================================১. বছরে ২৮০-৩০০টি ডিম দ...
16/04/2017

খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস পালন লেয়ার মুরগীর চেয়েও বেশ লাভজনক
=========================================

১. বছরে ২৮০-৩০০টি ডিম দেয়। ২-৩ বছর বয়স পর্যন্ত ডিম দেয়, সেখানে লেয়ার মুরগি ডিম দেয় দেড় বছর পর্যন্ত।
২. সবাই হাঁসের ডিম খেতে পছন্দ করেন।
৩. হাঁসের বাচ্চার দাম খুব কম ৩২ টাকা সেখানে মুরগির বাচ্ছার দাম ৬০-৬৫ টাকা।
৪. হাঁসের ডিমের সাইজ বড়।
৫. ১ হাজার মুরগির চেয়ে ১ হাজার হাঁস পালন করলে বেশি লাভবান হওয়া যাবে।
৬. ডিম উৎপাদন কমে গেলে ৩ বছর পর হাঁসগুলো মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করা যাবে। হাঁসের মাংস মুরগির চেয়ে সুস্বাদু।
৭. মুরগি সব দিন ধরে ডিম দেয় কিন্তু হাঁস সকাল ৯টার মধ্যে ডিম পাড়া শেষ করে। ফলে নজরদারির খরচ কম লাগে।
৮. খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস ১৭-১৮ সপ্তাহ বয়সেই ডিম দেয়।
৯. নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা ও ফেনী সরকারি হাঁস প্রজনন খামার থেকে ১ দিনের বাচ্চা সংগ্রহ করা যাবে।

হাঁসের বাসস্থান
=========
মুরগির মতো ততো ভালো বাসস্থান না হলেও চলে। আলো বায়ু চলাচল ভালো থাকতে হবে। বয়স্ক হাঁসপ্রতি জায়গা লাগবে ২-৩ বর্গফুট। উঠতি হাঁসা-হাঁসীর জন্য ১ বর্গফুট জায়গাই যথেষ্ট। বন্য জন্তু বিশেষ করে শেয়ালের হাত থেকে রৰার ব্যবস্থা করতে হবে। থাকার জায়গায় মুরগির লিটারের মতো বিচুলি, তুষ, কাঠের গুঁড়া বিছিয়ে দিতে হবে, এতে আরামে থাকবে পাখিগুলো, ডিম গড়িয়ে যাবে না, ভাঙবে না।
ঘর পূর্ব-পশ্চিম লম্বা করতে হবে। বাণিজ্যিক খামারের ভিতরের ঘরের প্রস্থ ১৮-২০ ফুট, উচ্চতা ৬ ফুট এবং দৈর্ঘ্য হাঁসের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নির্ণয় করতে হবে। ঘর দেশি সামগ্রী – বাঁশ, টিন, ছন, খড় প্রভৃতি দিয়ে তৈরি করা যায়। ঘরের তাপমাত্রা ৫৫-৭৫% ও আর্দ্রতা ৩০-৭০% হাঁসের জন্য অনুকূল। লেয়ার হাঁসের জন্য ১৪-১৬ ঘণ্টা আলো দরকার। ৩০০ বর্গফুট স্থানের জন্য ১টি ৬০ওয়াটের বাল্ব দরকার। ঘরের চারপাশে তারের জাল দ্বারা ঘিরে দিতে হবে।

পানি ছাড়া হাঁস পালন
==============
মানুষের খুব একটা ভুল ধারণা আছে হাঁস পালনে পানি লাগে। প্রজননের জন্য হাঁস পুষলে পানি অবশ্যই দরকার। যে কোনো অগভীর ডোবা বা ট্যাংক, গভীরতা যার ৯ ইঞ্চি আয়তন ৫। এ ধরনের মাপে ১০টি হাঁস অনায়াসে পালন চলবে। শুধু ডিমের জন্য হাঁস পালন করলে মুরগির মতো ‘ডিপলিটার’ পদ্ধতিতে অর্থাৎ মেঝেতে ৩ ইঞ্চির মতো শুকনো কাঠের গুঁড়া, তুষ বিছিয়ে হাঁস পালন চলবে। এভাবে পালন করলে মুরগির মতো হাঁসকেও সেই সুষম খাদ্য দিতে হবে।

বাচ্চা ব্রুডিং
========
হাঁসের বাচ্চা ৩ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত ব্র্বডিংয়ের জন্য ব্রুডার ব্যবস্থা করতে হয়। ব্রুডার -কাম গ্রোয়ার হাউসে হোভায়ের সঙ্গে ১০০ ওয়াটের ৩/৪টি বাল্ব সংযোজন করে তাপ উৎপাদন করা হয়। ৪ দিন বয়স পর্যন্ত ব্র্বডারে কাগজের ওপর খাদ্য দিতে হবে।
প্রতি লিটার পানিতে ৮০ গ্রাম গ্লুকোজ ৪ গ্রাম ভিটামিন সি মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত হাঁসের বাচ্চাকে পানিতে নামানো যাবেনা।

উন্মুক্ত বা ছাড়া অবস্হার হাঁসের খাদ্য ব্যাবস্হাপনাঃ===================================মুক্ত এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে দিনের ব...
16/04/2017

উন্মুক্ত বা ছাড়া অবস্হার হাঁসের খাদ্য ব্যাবস্হাপনাঃ
===================================
মুক্ত এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে দিনের বেলায় ছাড়া অবস্তায় থাকবে এবং সেখানে খাবে,রাতের বেলায় ঘরে আসে।জলাশয়ে যদি খাবার কম পায় তাহলে সকালে এবং সন্ধায় প্রতি হাঁসের জন্য ৬০-৮০ গ্রাম খাবার দিতে হয় ,পরিমান নির্ভর করে কতটুকু খাবার কম পেল তার উপর।
ছাড়া অবস্থায় প্রতি হাঁসের জন্য দেড় থেকে ২ বর্গফুট জায়গা লাগবে।

বাচ্চা পালন :
======= হাঁসের বাচ্চা পালন মুরগির বাচ্চা পালনের মত। হাঁসের বাচ্চার জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা হচ্ছে- ১ম সপ্তাহে ৩২ সে.,
২য় সপ্তাহে ২৯ সে.,
৩য় সপ্তাহে ২৬ সে.,
৪র্থ সপ্তাহে ২৩ সে.,
৫ম সপ্তাহে ২১ সে. তাপমাত্রা প্রয়োজন।
বাচ্চা ছাড়ার ৬ ঘণ্টা আগে ব্রুডারের তাপমাত্রা ঠিক করতে হবে। গরমকালে ৪ সপ্তাহ এবং শীতকালে ৫ সপ্তাহ পর্যন্ত হাঁসের বাচ্চাকে তাপ দিতে হয়।

বাচ্চার খাবারঃ
========= প্রতিটি বাচ্চা হাঁসকে ১ম সপ্তাহে ১০-২০ গ্রাম,
২য় সপ্তাহে ২১-৩১ গ্রাম,
৩য় সপ্তাহে ৩১-৪১ গ্রাম,
৪র্থ সপ্তাহে ৪১-৫৫ গ্রাম
৫ম সপ্তাহে ৫৫-৬৫ গ্রাম খাদ্য দিতে হয়।

খাদ্যঃ
========= হাঁস প্রধানত দুই রকমের খাদ্য খায়। যেমনঃ প্রাকৃতিক খাদ্য ও সম্পূরক খাদ্য।

প্রাকৃতিক খাদ্যঃ
========== হাঁস প্রাকৃতিক ও সম্পূরক খাদ্যের মাধ্যমে খাদ্যের চাহিদা পূরণ করে। জলাশয়ের আগাছা, ক্ষুদেপানা, পোকামাকড়, কচি ঘাস পাতা, ঝিনুক, শামুক ও ছোট মাছ ইত্যাদি খেয়ে অর্ধেক খাদ্যের প্রয়োজন মেটায়।

সম্পূরক খাদ্যঃ
========= পুকুর, খাল-বিল, নদী ইত্যাদিতে হাঁস চড়ে বেড়ায় এবং সেখান থেকেই তারা খাদ্য জোগাড় করে খেয়ে থাকে। আর এসব এলাকা থেকে প্রাপ্ত খাদ্যের উপরই এদের উৎপাদন নির্ভর করে। আবার অনেক খামারি প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি গম ভাঙা, চালের কুড়া, গমের ভূষি ইত্যাদি খেতে দেন।
তবে দেখা গেছে বেশিরভাগ খামারিদেরই হাঁসের জন্য সুষম খাদ্য তৈরি ও খাওয়ানোর পদ্ধতির সম্পর্কে সঠিক ধারনা নেই। ফলে পরবর্তীতে হাঁসের ডিম উৎপাদন কমে যায়। আবার ডিম পাড়ার সময় অধিক হারে পুষ্টি ডিমের মাধ্যমে চলে যায় বলে কিছু দিন পরে দেখা যায় হাঁসের ওজন কমে যাচ্ছে।
হাঁস ভিজা খাবার পছন্দ করে। এজন্য হাঁসের খাদ্যে সবসময় পানি মিশিয়ে দিতে হয়।সম্পূরক খাদ্য হিসাবে সকালে এবং সন্ধায় প্রতি হাঁসের জন্য ৬০-৮০ গ্রাম নিম্নলিখিত হারে দিতে পারি।


নিচে বিভিন্ন বয়সের হাঁসের জন্য সুষম খাদ্য তৈরির একটি ফরমোলেশনঃ
=============================================
*******টেবিল-১******

খাদ্য উপাদান (%) > > > বাচ্চা হাঁস(০-৬ সপ্তাহ) > > > বাড়ন্ত হাঁস(৭-১৯ সপ্তাহ)

গম ভাঙা ------------- ৩৬.০০ ------------------------ ৩৮.০০
ভুট্টা ভাঙা ------------ ১৮.০০ ------------------------- ১৮.০০
চালের কুঁড়া ---------- ১৮.০০ ------------------------- ১৭.০০
সয়াবিন মিল --------- ২২.০০ ------------------------- ২৩.০০
প্রোটিন কনসেনট্রেট - ২.০০ ---------------------------- ২.০০
ঝিনুক চূর্ণ ------------ ২.০০ ---------------------------- ২.০০
ডিসিপি --------- ------১.২৫ ---------------------------- ১.২৫
ভিটামিন প্রিমিক্স ---- ০.২৫ ---------------------------- ০.২৫
লাইসিন --------------- ০.১০ --------------------------- ০.১০
মিথিওনিন ------------ ০.১০ -------------------------- ০.১০
লবণ ------------------- ০.৩০ ------------------------- ০.৩০
---------------------------------------------------------------------------------
মোট === ======১০০.০০ ------------------------ ১০০.০০

এসব খাদ্য উপাদান পোল্ট্রির খাদ্য বিক্রেতার কাছে পাবেন। আর যদি তাও না পান তবে আরো সহজে নিম্নলিখিত উপায়ে খাদ্য তৈরি করতে পারবেনঃ
===========================================

**********টেবিল-২*********

খাদ্য উপাদান পরিমান (%)
---------------------------------
গম ভাঙা ৪৫
চালের কুঁড়া ২০
গমের ভুষি ১২
তিলের খৈল ১২
শুটকি মাছের গুঁড়া ১০
লবন ০.৫
ভিটামিন ০.২৫
----------------------------
মোট ১০০

ডিম পাড়া শুরুর ২ সপ্তাহ আগে থেকে শেষ পর্যন্ত
বা ডিম পাড়া হাঁস(২০ সপ্তাহ থেকে তদুর্ধে) হাঁসকে খাওয়ানোর চার্টঃ

***************টেবিল-৩******************

খাদ্য উপাদান >>>> পরিমান (%)
-------------------------------------
গম ভাঙা ৪০
চালের কুঁড়া ২৫
গমের ভুষি ৫
তিলের খৈল ১২
শুটকি মাছের গুঁড়া ১০
ঝিনুক ভাঙা ৭.২৫
লবন ০.৫
ভিটামিন ০.২৫
--------------------------------
মোট ১০০


খাওয়ানোর নিয়মঃ
============ বর্ষা মৌসুমে অর্ধছাড়া অবস্থায় পালনকৃত বাচ্চা হাঁসকে দৈনিক ৪০ গ্রাম এবং বয়স্কগুলোকে ৬০ গ্রাম হারে সুষম খাদ্য দিতে হবে। তবে শুষ্ক মৌসুমে প্রাকৃতিক খাদ্যের পরিমান কমে যায় বলে এসময় ছেড়ে খাওয়ানোর পাশাপাশি ৭০ থেকে ৮০ গ্রাম খাদ্য সরবরাহ করা দরকার। তবে প্রাকৃতিক খাদ্য না দিতে পারলে খাকী ক্যাম্পবেল হাঁসকে দৈনিক ১৭৬ গ্রাম হারে এবং জিন্ডিং হাঁসকে দৈনিক ১৬০ গ্রাম হারে খাদ্য দিতে হবে।

*তথ্য সূত্রঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত বার্ষিক প্রাণিসম্পদ & Livestock website

05/11/2016

তারুণ্যের ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে কৃষি........

*** কৃষিকাজে জড়িতদের ৬০ শতাংশ তরুণ...
*** নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসা কৃষকদের গড় বয়স ৩৫

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।

Address

Hatbaria, Santhia
Pabna

Opening Hours

06:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when T.N.S Agro Culture posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category