Snow Cat Hotel

Snow Cat Hotel Foster Home
Hotel
Sitter
(1)

29/05/2026

মাশাআল্লাহ ....
কালার😍 দুইজনের একই আর বদমাইশিতেও পারদর্শী এই দু'জন 😂😇
মিল ১০০% তে ১০০%❤️

পোলাপান খেলতে পারে না তাই আমিই একটু খেলে দিলাম🤣🤣🤣কি দৌড় দিলো রে বাবা😅😇😅
24/05/2026

পোলাপান খেলতে পারে না তাই আমিই একটু খেলে দিলাম🤣🤣🤣
কি দৌড় দিলো রে বাবা😅😇😅

সব্বাইকে জুম্মা মোবারক 🎉আমি নামাজ পরে এসে রেস্ট নিচ্ছি🤭😊 তোমাদের কি খবর???আমি কিন্তু অনেক ভালো ছেলে 🤣নামাজে একদম ফাঁকি দ...
15/05/2026

সব্বাইকে জুম্মা মোবারক 🎉
আমি নামাজ পরে এসে রেস্ট নিচ্ছি🤭😊 তোমাদের কি খবর???আমি কিন্তু অনেক ভালো ছেলে 🤣
নামাজে একদম ফাঁকি দেই না🤣🤣

চাপুল্টেপেক চিড়িয়াখানার সাহসী কমলা বিড়ালচার মাস ধরে চাপুল্টেপেক চিড়িয়াখানার পরিচর্যাকারীরা একটি কমলা রঙের বিড়ালকে ...
23/04/2026

চাপুল্টেপেক চিড়িয়াখানার সাহসী কমলা বিড়াল

চার মাস ধরে চাপুল্টেপেক চিড়িয়াখানার পরিচর্যাকারীরা একটি কমলা রঙের বিড়ালকে ধরার চেষ্টা করছে, যে বারবার বেঙ্গল টাইগারের ঘরে ঢুকে তার খাবার চুরি করে খেয়ে ফেলছে… এবং প্রতিবারই সে জিতে যাচ্ছে! 😹🐾

কেউই জানে না সে কোথা দিয়ে ঢোকে বা কখন আসে, কিন্তু সিসিটিভিতে তাকে সপ্তাহে তিন–চারবার দেখা যায়। বাঘটি যখন তার অর্ধেক কাঁচা মাংস খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে, ঠিক তখনই বিড়ালটি হঠাৎ ট্রের পাশে হাজির হয়। 😹

বিড়ালটির ওজন মাত্র প্রায় চার কেজি, আর বাঘটির প্রায় তিনশো কেজি। তবুও বিড়ালটি এমনভাবে খায় যেন সে-ই বাঘকে “উপকার” করছে।

প্রথমবার যখন বাঘটি ঘুম থেকে উঠে তাকে দেখে, শুধু অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল। পরিচর্যাকারীদের মতে, ছয় বছরে তারা বাঘকে এমন বিভ্রান্ত অবস্থায় কখনও দেখেনি—যেন সে বুঝতেই পারছিল না এত ছোট একটা প্রাণীর এত সাহস কীভাবে হতে পারে। 😹😹

তারা খাঁচার ফাঁক বন্ধ করার চেষ্টা করেছে, কিন্তু বিড়ালটি অন্য পথ খুঁজে নিয়েছে। টুনা দিয়ে ফাঁদ পেতেছিল, বিড়ালটি টুনা খেয়েছে কিন্তু আবারও ভেতরে চলে গেছে। বাঘের খাবারের সময় বদলানো হয়েছে, কিন্তু বিড়ালও নিজের সময় বদলে ফেলেছে! 🐾💛

২০ বছর ধরে কাজ করা এক পরিচর্যাকারী বলেছেন, তার জীবনে এমন প্রাণী দেখেননি যে নিজের চেয়ে বহু গুণ বড় শিকারির এলাকায় স্বেচ্ছায় ঢুকে পড়ে এবং আবার শান্তভাবে পেট ভরে বেরিয়ে যায়।

এখন বাঘটি তাকে দেখলে আর উঠে দাঁড়ায় না। শুধু এক চোখ খুলে দেখে, বিড়ালটিকে খেতে দেয়, তারপর আবার ঘুমিয়ে পড়ে। যেন সে মেনে নিয়েছে—কিছু যুদ্ধ আছে যা জেতা সম্ভব হলেও ঝামেলার মূল্য নেই। 😹💛

কমলা বিড়ালটি এখনো “অপরাজিত” (invicto), এবং পরিচর্যাকারীরা তাকে তাদের অভ্যন্তরীণ রেকর্ডে একটি নামও দিয়েছে, যদিও সে আনুষ্ঠানিকভাবে চিড়িয়াখানার বাসিন্দা নয়। 😹

©️ সংগ্রহীত

আমি সাদা না তুমি?😜😂ছবি দাও তো দেখি, কে বেশি সাদা❗😂😅😂
15/04/2026

আমি সাদা না তুমি?😜😂
ছবি দাও তো দেখি, কে বেশি সাদা❗😂😅😂

কারারক্ষীর কাছে এক কাপ চা চেয়েছিলাম। তখন আমার সেলে সব ধরনের খাবার ও পানীয় প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। শতভাগ নিশ্চিত ছিলাম ...
14/04/2026

কারারক্ষীর কাছে এক কাপ চা চেয়েছিলাম। তখন আমার সেলে সব ধরনের খাবার ও পানীয় প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। শতভাগ নিশ্চিত ছিলাম যে সে রাজি হবে না, হয়তো গালিগালাজ করবে। কিন্তু অবাক করে দিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য না করেই সে রাজি হয়ে গেল।
​কিছুক্ষণ পর সে দরজার ছোট ফাঁক দিয়ে হাত বের করতে বলল। আমি যখনই হাত বাড়িয়ে দিলাম, সে চায়ের বদলে আমার হাত জুড়ে ঢেলে দিল ফুটন্ত গরম পানি!

থার্ড ডিগ্রি বার্নের অসহ্য দহন আর যন্ত্রণায় যখন আমি চিৎকার করে কাঁদছিলাম, তখনই অন্ধকারের ভেতর থেকে ছুটে এল হানান। সেও আমার ব্যথায় কাঁদতে শুরু করল। সেদিন সেই অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আমরা দুজন অনেকক্ষণ একসাথে কেঁদেছিলাম।

​কিছুদিন পর বুঝতে পারলাম হানান মা হতে চলেছে। নিজের আমার দুটি কম্বল থেকে একটি কম্বল ভাঁজ করে মেঝের এক কোণে ওর জন্য বিছানা করে দিলাম। যখন ও বাচ্চা প্রসব করল, ওদের ক্ষুধার কথা ভেবে আমি নিজের খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিলাম। অনেক দিন এমন গেছে, আমার ভাগে থাকা দুটি রুটির দুটোই ওদের দিয়ে আমি না খেয়ে কাটিয়েছি।

​ কারারক্ষীরা বিষয়টা জেনে গেল। তারা এটাকে অনিয়ম বলে ওদের সরিয়ে নিতে চাইল। আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম, মিনতি করে বললাম— ওদের নিও না প্লিজ, ওরা এই নিঃসঙ্গতায় আমার একমাত্র বন্ধু!
​আমার এই আর্তি ওদের মন গলাল না, বরং আমাকে আরও কষ্ট দেওয়ার এক পৈশাচিক নেশায় মাতল ওরা।

খাবারে বিষ মিশিয়ে দেওয়া হলো। প্রায় অভুক্ত বাচ্চাগুলো যখনই সেই খাবার খেল, আমার চোখের সামনে একে একে নিথর হয়ে লুটিয়ে পড়তে লাগল। পাশে বসে আমি কেবল অঝোরে কাঁদছিলাম, আর হানান তার পিঙ্গলরঙা মায়াবী চোখ জোড়া দিয়ে অসহায়ভাবে তাকিয়ে ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে এক পাষণ্ড কারারক্ষী তার ভারী বুট দিয়ে পিষে দিলো হানানের মাথা ও মুখ।মুহুর্তে ও মারা গেলে, চিৎকার করা সুযোগ অবধি পেলো না।

​ওর একমাত্র অপরাধ ছিল এক নিঃসঙ্গ বন্দিনীকে সঙ্গ দেওয়া।​দেহে প্রাণ থাকা পর্যন্ত আমার হৃদয়ের মণিকোঠায় বেঁচে থাকবে আমার প্রিয় হানান, আমার আদরের বেড়ালটা।

ওয়াফা ইবরাহিম সামির আল-বিস।
গাজা, ফিলিস্তিন।

​রামজি বারুদ সম্পাদিত 'দিস চেইনস উইল বি ব্রোকেন' বই থেকে।

***

ফিলিস্তিনি এই বন্দিনী ১৭ বছর বয়সে গ্রেপ্তার হন৷ ১২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এই কিশোরী ৬ বছর ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি থাকার পর ২০১১ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তিতে মুক্তি পান।

বর্তমানে জালিমের এই অন্ধকার কারাগারে নারী ও শিশুসহ প্রায় ১০ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। সম্প্রতি 'নেসেট' তাদের মৃত্যুদণ্ডের আইনও পাশ করেছে। বইটা পড়ার সময় এই দশ হাজার মানুষের প্রতিটি মুহূর্তের যন্ত্রণার কথা ভাবছিলাম।

​মাঝে মাঝে মনে হয়, যুগের পর যুগ প্রতিদিন তিল তিল করে মেরে ফেলার চেয়ে একবারে মৃত্যু দেওয়া বোধহয় অনেক বেশি দয়ার কাজ। কিন্তু ওরা সেটা করবে না। কারণ ওরা জানে মৃত্যু নয়, বরং মৃত্যুবৎ যন্ত্রণাই আসল অস্ত্র। ওরা ভালো করেই জানে, একটি জীবন্ত মানুষকে কত উপায়ে যাতনা দিয়ে তবেই আজরাঈলের কাছে সোপর্দ করতে হয়।

এটা নিয়ে কেউ কি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে বা নিবে?নাকি এটা কিছুদিন পর মানুষ ভুলে যাবে?
11/04/2026

এটা নিয়ে কেউ কি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে বা নিবে?নাকি এটা কিছুদিন পর মানুষ ভুলে যাবে?

সারারাত কুকুরটার কথাই ভাবলাম। 👉বাগেরহাটে জাস্ট মজা করার জন্য কুকুরকে কুমিরের টোপ হিসেবে দেয়া হয়েছে। কুকুরটা এখন বেঁচে নে...
11/04/2026

সারারাত কুকুরটার কথাই ভাবলাম।

👉বাগেরহাটে জাস্ট মজা করার জন্য কুকুরকে কুমিরের টোপ হিসেবে দেয়া হয়েছে। কুকুরটা এখন বেঁচে নেই।

কুকুরটাকে বেধে রাখা হয়েছিল। যে বেধেছে তাকে নিশ্চয়ই কুকুরটা বিশ্বাস করেছিল। নইলে বাধতে পারতো না।

যাইহোক, একজনের কন্টেন্ট বানানো আর মজা করার জন্য যে তাকে নির্মমভাবে অনর্থক মরতে হবে, এটা সে বুঝেনি। বোকা কুকুর!

এই ঘটনা নিয়ে কেউ কি আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন? অথবা ঐ ব্যক্তিকে দড়ি দিয়ে কুমিরের উপর ঝু/লিয়ে রাখার কাজ কেউ হাতে নিয়েছেন?

এদেশের বেশিরভাগ মানুষই জাত শুয়োরের বাচ্ছা ! এদেরকে একে একে এভাবে কুমিরের মুখে খাবার হিসেবে ছুঁড়ে দিলে দুনিয়া থেকে কিছু আবর্জনা অন্তত পরিষ্কার হতো

খান জাহান আলী মাজারের ঘটনা

Msu Shariat ⚡

আমি ঘুমাই,তোমাদের কি খবর?😊🤗বৃষ্টিতে শুধু আরাম আর আরাম🥰
09/04/2026

আমি ঘুমাই,তোমাদের কি খবর?😊🤗
বৃষ্টিতে শুধু আরাম আর আরাম🥰

এই বিল্ডিংয়ের মানুষজন ছোটবেলা থেকেই তাকে চিনত। সে ছিল চারতলার একটা ঘরের আদরের বিড়াল—মাঝে মাঝে মালিকের সাথে নিচে নামত, আব...
09/04/2026

এই বিল্ডিংয়ের মানুষজন ছোটবেলা থেকেই তাকে চিনত। সে ছিল চারতলার একটা ঘরের আদরের বিড়াল—মাঝে মাঝে মালিকের সাথে নিচে নামত, আবার তার সাথেই ওপরে উঠত। তার একটা নাম ছিল, গলায় ছিল কলার, আর ছিল একটা নির্দিষ্ট জীবন… যেটা ভালোবাসা দিয়ে তৈরি হয়েছিল।

তারপর একদিন এলো বদলের দিন…

ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রাকে করে জিনিসপত্র নামানো হলো। সব কিছু গুছিয়ে তারা চলে গেল—কিন্তু তাকে নিয়ে গেল না। তাকে রেখে গেল ছাদের উপর… কিছু দিনের জন্য পানি রেখে, যেন সেটাই যথেষ্ট একটা জীবন্ত প্রাণকে ফেলে যাওয়ার জন্য।

প্রথম কয়েকদিন ছাদ থেকে তার মিউ মিউ শব্দ শোনা যেত।
ধীরে ধীরে সেই ডাক কমে গেল…
একসময় পুরোপুরি থেমে গেল…

সে শুধু এক কোণে বসে থাকত, নিচের রাস্তার দিকে তাকিয়ে—যেন এখনও অপেক্ষা করছে, হয়তো চিনে ফেলবে কোনো পরিচিত ছায়া, কোনো প্রিয় মানুষকে।

তিন সপ্তাহ পর… আর সহ্য করতে না পেরে তৃতীয় তলার এক আপা তাকে নিজের বাসায় নিয়ে নিলেন। সেই শেষ দিনটার একটা ছবি তিনি তুলে রেখেছিলেন…

নতুন ঘরে ঢোকার পর সে
শান্তভাবে চারপাশ ঘুরে দেখল…
একটু পরে সোফায় গিয়ে বসে পড়ল…
আর কখনো ছাদে ফিরে যেতে চায়নি।

তবে ওই আপা বলেন—
কখনো কখনো তাকে চুপচাপ উপরের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখেন…
কোনো কারণ ছাড়াই…
©

Address

Bashundhara R/A
Dhaka
1229

Telephone

+8801641185771

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Snow Cat Hotel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category