Nihal's Aviary

Nihal's Aviary Pet Service

ভালোবাসার ২ রাজকন্যা ❤❤❤
19/11/2018

ভালোবাসার ২ রাজকন্যা ❤❤❤

যে কারণে বন্য পাখি পালা যাবে নাখাঁচায় যে সবাই পাখি পালেন সেটাতো ওয়াইল্ড (বন) থেকে ধরেই খাঁচায় পুরেছেন, না কি?যত্তসব সেন্...
03/05/2018

যে কারণে বন্য পাখি পালা যাবে না

খাঁচায় যে সবাই পাখি পালেন সেটাতো ওয়াইল্ড (বন) থেকে ধরেই খাঁচায় পুরেছেন, না কি?যত্তসব সেন্টিমেন্টাল কথা -ওয়াইল্ড পাখি পালা যাবে না!' দু'চারদিন যেতে না যেতেই এই প্রশ্ন নিয়ে হাজির হন অনেকেই। এটা আসলেই ১০০ ভাগ সত্য কথা আমরা যে পাখি খাঁচায় পালি, তা ওয়াইল্ড থেকেই আনা! তাহলে আবার আমরাই ওয়াইল্ড বার্ড বা বন্য পাখি খাঁচায় রাখার বিপক্ষে কেন?

উত্তরটা প্রশ্নকর্তা নিজেই জানেন! তা হল আপনার আমার লোভ! মানুষের লালসা! নিজের শখের জন্য আমরা যে বন্য পাখি খাঁচায় রাখার লালসা কোনদিনই বাদ দিতে পারবো না। এটা জেনেই কিছু মানুষ সুন্দর সুন্দর কিছু পাখি ধরে আপনার আমার লালসা মেটাতে সেই সব প্রজাতির কিছু বাড়তি পাখি বানিয়ে (প্রজনন ঘটিয়ে) আমাদের দিয়ে দিয়েছে- "নে ভাই, তোরা শখ মেটা, কিন্তু জঙ্গলের দিকে আর নজর দিস না"। যেটাকে আমরা বলছি কেইজ বার্ড বা খাঁচার পাখি।

এখন কথা হল জঙ্গলে নজর দিলে কার কি আসে যায়? জঙ্গলের পাখিতো কারো পৈতৃক সম্পত্তি না। তাহলে কী সমস্যা দু'চারটা ময়না-টিয়া-পেঁচা ধরে আনলে?

আসলে সমস্যা হল ইকোসিস্টেমে (Ecosystem)! ইকোসিস্টেম শব্দটি কম-বেশি সবাই শুনেছেন, কিন্তু যদি বিষয়টি খেয়াল করে আমলে না নিয়ে থাকেন, তাহলে আপনি নিজেই জানেন না, আপনি কত বড় বিপদে আছেন!

সেই বিপদটা কীভাবে?
আপনি নিজেও ইকোসিস্টেমের ভেতরেই থাকেন! আমাদের স্ব স্ব ধর্ম যেমন আমাদের একটি গ্রন্থ দিয়ে বলেছে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে, তেমনি পৃথিবী আমাদের দিয়েছে 'ইকোসিস্টেম' যা মেনে চলা আমাদের পরম কর্তব্য! ইকোসিস্টেম ভেঙে যাওয়া মানে 'বায়োডাইভারসিটি (Biodiversity)' বা জীব বৈচিত্রের বিলুপ্তি!

কিন্তু কেন?
সহজ করে বলি, ছোটবেলায় আমরা খাদ্য চক্র পড়েছি, মনে আছে? এই যেমন গাছের পাতা হরিণ খায়, হরিণকে বাঘ খায় কিংবা পকুরে ছোট মাছ ব্যাঙাচি খায়, ছোট মাছকে আবার বড় মাছ খায়। এভাবে পরিবেশের প্রতিটি প্রাণি একে অপরের উপর চরমভাবে নির্ভরশীল! আর এই তালিকায় আপনি আমি আরও গুরুতরভাবে নির্ভরশীল!!

ইকোসিস্টেমে বন্য পাখির অবদান কি?
শুধু পাখির মলের (পুপ্স) গুণাগুণ বলি- জঙ্গলের লক্ষ-কোটি গাছের কল্যাণে যে অক্সিজেন প্রতি মিনিটে ১৮-২০ বার বুকে টেনে নিয়ে বেঁচে আছি, সেই কোটি গাছের জন্য পাখির মল সাপ্লাই দিচ্ছে 'নাইট্রোজেন', 'ফসফেট' এবং 'পটাশিয়াম'। যে তিন উপাদান ছাড়া গাছের বৃদ্ধি অসম্ভব!ভেবে দেখেনতো আপনার আমার ১৪ পুরুষ মিলে কি এতো সারের সাপ্লাই নিয়ে জঙ্গলে ছিটিয়ে আসবে?

ফলের বীজ খেয়ে পাখি তার মলত্যাগের মাধ্যমে হাজার হাজার মাইল পর্যন্ত ছড়িয়ে গাছের বংশ বিস্তার টিকিয়ে রেখেছে। আপনার আমার ১৪ পুরুষ একত্রে কৃষিকাজ করলেও এই পরিমাণ চারা রোপন সম্ভব না!এমন আরো অনেক গুণাগুণ রয়েছে পাখির।

এরপরও হয়তো প্রশ্ন আসবে ‘সব বুঝলাম, একটা পাখি রাখলে কি এমন হবে?’

শুধু একটি দেশী পেঁচা আমাদের কী দেয় জানেন?
আমাদের দেশে সরকারী হিসাবে কৃষকের অতি কষ্টের ফসলের ৫ শতাংশ’র বেশী যায় ইদুরের পেটে! গড় আয়ু ২০ বছর ধরলে একটি পেঁচার বছরে ৭,৩০০ ইঁদুর খায়। প্রতিটি ইঁদুর বছরে ১৮.২ কেজি করে ৭,৩০০ ইঁদুর মোট ১,৩২,৮৬০ কেজি খাদ্য খায়! তাহলে ১টা পেঁচার কল্যাণে আমাদের প্রায় দেড় লাখ কেজি খাদ্যশস্য বেশী উৎপাদন হয়!!

এরপরও কেউ বলবেন- তাহলে অন্য পাখি রাখি, ময়না/শালিক?
বন্য পাখি এখনো যে পরিমাণে টিকে আছে, এরা যে পরিমাণ পোকামাকড় খায়, তার পরেও আমাদের কীটনাশক ছিটানো লাগে। সেই কীটনাশকযুক্ত শস্য খেয়ে ক্যান্সারে মরি এবং ধুয়ে পানিতে মিশালে মাছ মরে এবং মাছ খেয়ে আমরাও ক্যান্সারে আক্রান্ত হই।

আবারো কেউ বলবেন- 'আচ্ছা আমি একটা ময়না রাখি, সবাইতো আর রাখতেছে না.. তাই না?'

এবার মানুষের স্বভাবের একটা গল্প মনে রাখুন-
এক রাজা তার লোকেদের দিয়ে একটি পুকুর কাটালেন। রাজ্যে ঘোষণা দিয়ে দেয়া হলো সেদিন রাতেই যেন সবাই তাদের বাড়ি থেকে এক গ্লাস করে দুধ নিয়ে এসে সেই পুকুরে ঢেলে দেয়। রাজা সকাল বেলা তার প্রাসাদের বারান্দা থেকে দুধের পুকুর দেখতে চান!

এবার এক লোক ভাবলো যে সবাইতো গ্লাসে করে দুধ নিয়ে যাবে, সে যদি রাতের অন্ধকারে লুকিয়ে দুধের যায়গায় পুকুরে এক গ্লাস পানি দিয়ে আসে তবে কেউই তা বুঝবে না। তাই সে সকলের সাথে গিয়ে অন্ধকারে এক গ্লাস পানি ঢেলে দিয়ে এলো।

সকাল বেলা রাজা তার প্রাসাদের বারান্দায় এসে হাহাকার করে উঠলো! তার সাধের পুকুর শুধু পানি দিয়ে ভর্তি ছিল, সেখানে এক ফোঁটাও দুধ ছিল না!

পৃথিবীর (২০১৭ সালের সর্বশেষ জরিপ) ১,৪৬৯ 'প্রজাতির' লাখ লাখ পাখি বিপন্ন হবার তালিকায় রয়েছে, যা কিনা পৃথিবীর অবশিষ্ট পাখির ১৩.৪ শতাংশ। যার সহজ অর্থ আপনার আমার দেখা প্রতি ৮ টি পাখির ১ টি বিলুপ্তির পথে!এদের মধ্যে ২২২ প্রজাতি আছে বিপদসীমার একদম শেষ প্রান্তে, অতি নিকট ভবিষ্যতে তারা বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে গবেষকদের অনুমান।

লেখক: সৌখিন পাখি পালক ( কৌশিক কাব্য )

সাধারণ আমাদের পোষা পাখিরা রোগে আক্রান্ত হয় বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবর্তন ও এভিয়ারির বিভিন্ন পরিবর্তন যেমন অপরিষ্কার খাদ্য,ন...
02/05/2018

সাধারণ আমাদের পোষা পাখিরা রোগে আক্রান্ত হয় বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবর্তন ও এভিয়ারির বিভিন্ন পরিবর্তন যেমন অপরিষ্কার খাদ্য,নোংরা পানি ও তার খাচার অবস্থানের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে না পারার,নোংরা ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে ইত্যাদির জন্য।যেহেতু খাচার পাখিদের জীবনযাপন আমাদের নিয়ন্ত্রণ ও গন্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ তাই পাখির স্বতফুর্তা,ঠিক মত খাবার খাচ্ছে কিনা,তাদের পায়খানা ঠিক আছে কিনা,রাতে অন্ধাকারে চুপ করে দাঁড়িয়ে হাচি কাসি দিচ্ছে কিনা,বা কোন শব্দ করছে কিনা এগুলো লক্ষ্য রেখে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিলে অনেক পাখির জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়।
একটা প্রচলিত কথা আছে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উওম।অনেকে রোগ প্রতিরোধের জন্য আগাম এন্টিবায়োটিক এর কোর্স করান।আমার মতে পাখির শরিরের উপকারী ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস করে, আর পাখিকে দূর্বল করে এতে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়।আজ আপনাদের সাথে আলচনা করব সধারণ রোগ প্রতিরোধের জন্য ও স্পেসিফিক রোগ প্রতিরোধের জন্য আমারা কি কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন হোমিও ড্রাগ ব্যাবহার করতে পারি।

১.সাধারণ রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য-মাসের শুরুতে তিন দিন নাক্স ২০০,দুই দিন পালসেটিলা ২০০,দুই দিন সাল্ফার ২০০ ব্যাবহার করা যাবে।

২.শীতকালীন ঠান্ডার সমস্যায় -বেলেডোনা ২০০ তিন দিন ৭ দিন গ্যাপ দিতে ক্যাম্ফার ৩০ তিন দিন ব্যাবহার করতে পারেন।বেশী শীত বা শৈত প্রবাহ হলে ক্যাম্ফার এর ব্যাবহার অনেক রোগ থেকে পাখিকে রক্ষা করবে।

৩.গরম ও বর্ষায় ঠান্ডার সমস্যায় ডাল্কামারা ২০০ তিন দিন ব্যবহার করতে পারেন।

৪.কলেরার ও সবুজ পায়খানার প্রতিষেধক হিসেবে ভেরেট্রম এলব ২০০ কার্যকরি,এই ক্ষেত্রে ন্যাট্রাম সাল্ফ ও খুব ভালো ড্রাগ।

৫.লিভার এর রোগ প্রিতিরোধে ন্যাট সালফ ৩০ কার্যকর।

৬.এগ বাইন্ডিং সমস্যার জন্য ডিম পারার আগে সিপিয়া ২০০.

৭.বেবির ফেদার প্লাকিং রোধে ন্যাট্রাম মিওর ২০০,প্লাটিনাম ৩০.

৮.স্পেলেইড লেগ সমস্যায় বেবি জন্মের দুই দিন পর থেকে প্যারেন্টসদের কে ক্যাল্কেরিয়া ফস ৩০, ৫-৭ দিন কার্যকরি।

৯.পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিস,স্নায়বিক দুর্বলতায় সমস্যায় কেলি ফস ২০০,চায়না ২০০ কার্যকরি প্রতিরোধক ঔষধ।

১০.পক্স বিশেষ করে ক্যানারি ও কবুতরের পক্স সমস্যায় ভ্যাক্সিনিনাম ২০০,ম্যালানড্রিনাম ২০০ খুবই কার্যকরি।

১১.প্রচন্ড গরমে হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে এ গ্লোনইন ২০০ অত্যন্ত উপকারী ও জীবন রক্ষাকারী হোমিও ড্রাগ।

১২.কৃমি প্রতিরোধে সিনা ২০০,মার্কসল ৩০ তিন দিন।

১৩.সি.আর.ডি বা হাপানি-টিউবারকুলিনাম ২০০ খুবই কার্যকরী

১৪.কোন শাকসবজি বা খাবারের জন্য ফুড পয়জনিং এর সম্ভাবনা থাকলে কার্বভেজ ৩০ জীবন রক্ষাকারী ড্রাগ।

বিভিন্ন সমস্যায় আলোচ্য ড্রাগ গুলো সাদা পানির বাটির তিন ভাগের দুই ভাগ পানিতে ৪-৫ ফোটা করে সর্বোচ্চ তিন দিন ব্যাবহার করা যাবে।তবে ৬,৭,৮ নং পয়েন্টে প্রয়োজনে ৫-৭ দিনও ড্রাগ ব্যাবহার করা যাবে।

ধন্যবাদ।

COLLECTED

পাখির হিট স্ট্রোক:"হিট স্ট্রোক"গরমের সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যা। অনেকসময় বুঝাই যায় না পাখির কি হয়েছে। আর ছবি তুলে বিভিন্ন গ্রুপ...
23/04/2018

পাখির হিট স্ট্রোক:

"হিট স্ট্রোক"গরমের সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যা। অনেকসময় বুঝাই যায় না পাখির কি হয়েছে। আর ছবি তুলে বিভিন্ন গ্রুপে পোষ্ট করে সাজেশন পেতে পেতে পাখির হায়াত শেষ হয়ে যায়।
হিট স্ট্রোক কেন হয়ঃ এটা পাখির কোন অসুখ না।এটা সম্পূর্ণ পাখি পালকের অবহেলার জন্য হয়ে থাকে। পাখি কে এমন জায়গায় রাখলে যেখানে সরাসরি রোদ পড়ে, বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা নাই, অনেক পাখি একসাথে ছোট খাঁচায় রাখা, ইত্যাদি। এছাড়া হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে গেলে যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়া। অতিরিক্ত ওজনের এবং বয়স্ক পাখিরা হিট স্ট্রোকের ঝুকিতে বেশি থাকে।

হিট স্ট্রোক এর লক্ষন :
১. পাখি মুখ খুলে শ্বাস নিবে,হাঁপাবে।
২. ডানা মেলে দিবে।পাখির ঘাম গ্রন্থি নেই, তাই এরা ডানা উচিয়ে ও মুখ দিয়ে শরীরের অতিরিক্ত তাপমাত্রা বের করে দেয়।
৩. পাখি অস্থির ভাবে ছুটাছুটি করবে। দেখে মনে হবে পাখি খাঁচা থাকে বের হতে চাইছে।
৪. শেষ দিকে পাখি নড়াচড়া কমিয়ে দিবে, পার্চ গ্রিপ করতে পারবে না, নিচে পড়ে যাবে।

করনীয় :
১. পাখিকে ঠাণ্ডা জায়গায় নিতে হবে(ফ্যানের নিচে)
২. পাখির শরীরে পানি স্প্রে করতে হবে। কাক ভেজা করবেন না এতে ঠাণ্ডা লেগে যাবে। হালকা স্প্রে করবেন। ডানার নিচে স্প্রে করবেন।
৩. পাখির পা ঠাণ্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। তার ঠোটে পানি লাগান।নরমাল কলের পানি ব্যবহার করবেন। ফ্রিজের পানি ব্যবহার করতে যাবেন না। পানি খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না।

8. পাখি কে একটি ভেজা তোয়ালে দিয়ে জড়িয়ে রাখুন।
খুব বেশি দেরি না হলে এতেই পাখির প্রাণ বাঁচবে। এরপর অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিবেন।
প্রতিরোধ: PREVENTION IS BETTER THAN CURE. এই প্রবাদবাক্যটা আমরা সবাই জানি। ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আগে তা

প্রতিরোধ করাই ভাল। হিট স্ট্রোক এড়াতে যা করবেন,

১. ছায়া আছে এমন যায়গায় খাঁচা রাখুন।
২. পাখি কে প্রতিদিন গোসলের পানি দিন।
৩. প্রচুর শাকসবজি খেতে দিন।
৪. তৈলাক্ত বীজ(গুজিতিল,সরিষা, সূর্যমুখী বীজ) কমিয়ে দিন।
৫. প্রতিদিন বা একদিন পরপর এলোভেরা মিশ্রিত পানি খেতে দিন। ৬ঘন্টা পরপর পানি পানি পাল্টে দিবেন। রাতেও খাঁচায় পানি রাখবেন।
৬. পুদিনা পাতা খেতে দিন। এটা শরীরে ঠাণ্ডা রাখে।
৭. সরাসরি বাতাস যেন পাখির গায়ে না লাগে কিন্তু খাঁচা যেখানে থাকবে সেখানে যেন পর্যাপ্ত বাতাস থাকে।
৮. কোন রকম ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট দিবেন না।
৯. আমরা বিভিন্ন কাজে বাসার বাইরে থাকি। তাই বাসায় যে থাকে তাকে জানিয়ে দিন আপনার অবর্তমানে যদি পাখির হিট স্ট্রোক করেও থাকে তাহলে কি করতে হবে।
আপনার একটু সতর্কতাই আপনার পাখি কে ভাল রাখবে। ধন্যবাদ।

মুক্তারহস্যঃ ঝিনুকের মধ্যে মুক্তা ......... অনেকেই মুক্তার অলংকার পড়েছেন কিন্তু জানেন না কিভাবে ঝিনুক থেকে মুক্তা সংগ্রহ...
23/04/2018

মুক্তারহস্যঃ

ঝিনুকের মধ্যে মুক্তা .........

অনেকেই মুক্তার অলংকার পড়েছেন কিন্তু জানেন না কিভাবে ঝিনুক থেকে মুক্তা সংগ্রহ হয়।

‘ছোট্ট কণা থেকেই তো হয় গোলাপি মুক্তো’—শুনেছ গানটা? এতে ছিল ঝিনুকের মধ্যে মুক্তা গড়ে ওঠার কথা৷ আচ্ছা, মুক্তা কীভাবে তৈরি হয়, তোমরা কি জানো?
মনে করো, ছোট্ট কোনো জলজ জীব বা কোনো বালুকণা হঠাৎ করে ঝিনুকের মধ্যে ঢুকে গেল৷ ঝিনুক তখন কী করে, জানো? ঝিনুক তখন ওই ছোট্ট জীব বা বালুকণাটির চারপাশে একটি থলের মতো অংশ তৈরি করে ফেলে৷ সেই সঙ্গে ঝিনুকটির নিজস্ব কিছু রাসায়নিক পদার্থ সেখানে জমা হতে থাকে৷ থলেটিও দিনে দিনে বেড়ে ওঠে৷ এভাবেই একসময় তৈরি হয় মুক্তা৷
তবে সব ঝিনুকেই কিন্তু মুক্তা তৈরি হয় না৷ আর তুমি বাইরে থেকে দেখে বুঝতেও পারবে না, কোন ঝিনুকে মুক্তা আছে৷ হাজার হাজার ঝিনুক তুলে আনলেও তুমি একটি সুন্দর মুক্তা পাবে কি না সন্দেহ৷
এসব কথা বলতে গিয়ে মনে পড়ে গেল মুক্তাডুবুরি কিনোর কথা৷ আমেরিকান লেখক জন স্টেইনবেকের লেখা দ্য পার্ল বইটিতে আছে কিনোর গল্প৷ হঠাৎ করে সে পেয়ে গিয়েছিল বেশ বড় আর দামি একটি মুক্তা৷ ভেবেছিল, মুক্তা বিক্রি করে তার ছোট্ট শিশুটিকে একদিন পড়াশোনা শেখাবে৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হলো না লোভী কিছু মানুষের জন্য৷ প্রাকৃতিকভাবে যে সুন্দর মুক্তাগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো বেশ দামি হয়৷ এ কারণেই লোভী মানুষগুলোর জন্য প্রাণ দিতে হয়েছিল কিনোর ছোট্ট শিশুটিকে৷
মুক্তা কিন্তু চাষও করা যায়, সেটা কি জানো? ঝিনুক চাষ করে তার মধ্যে ছোট্ট কোনো এক ক্ষুদ্র কণা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়৷ আবার সেই ঝিনুককে রাখা হয় পানিতে৷ পরে সময়মতো ঝিনুক উঠিয়ে এনে মুক্তা বের করে আনা হয়৷
মুক্তা কীভাবে চাষ করা যায়, তা প্রথম আবিষ্কার করেন তিন জাপানি, তবে প্রত্যেকেই আলাদা আলাদাভাবে করেন এই আবিষ্কার৷ আর এই তিনজনের মধ্যে ককিচি মিকিমটো একাই পান আবিষ্কারকের স্বীকৃতি৷ শোনা যায়, তিনি নাকি প্রতিদিন দুটি করে মুক্তা খেতেন, স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য! চীনে অবশ্য মুক্তাকে ওষুধের উপাদান হিসেবেও ব্যবহার করা হয়৷
এখন তোমরা যে মুক্তাগুলো দেখো, তার বেশির ভাগই চাষ করা মুক্তা৷ এগুলো অবশ্য দেখতে অতটা সুন্দর নয়৷ প্রাকৃতিক মুক্তাগুলো হয় খুব সুন্দর আর উজ্জ্বল৷ শত শত বছর ধরে মুক্তার সৌন্দর্যে অবাক হয়েছে মানুষ৷ অলংকারে ব্যবহার ছাড়াও আগে দামি কাপড়ে লাগানো হতো মুক্তা৷
সাদা, গোলাপি, রুপালি, হলুদ মুক্তা যেমন আছে, তেমনি আছে সবুজ, নীল, এমনকি কালো রঙের মুক্তাও৷ অভিজ্ঞ মুক্তাডুবুরিরা নাকি একনিঃশ্বাসে পানির নিচে ২০০ ফুট পর্যন্ত চলে যেতে পারেন৷ তবে গভীর পানির নিচ থেকে মুক্তা তুলে আনতে গিয়ে কত মানুষের যে মৃত্যু হয়েছে, তার ইয়ত্তা নেই৷
সাগরের অতলে মুক্তা খঁুজে বেড়ান কিছু মানুষ৷ মূল্যবান এই রত্ন খঁুজে পেতে জীবনের ঝুঁকি নিতেও ভয় পান না তাঁরা৷ মুক্তার সৌন্দর্যে অবাক হতে দোষ নেই, কিন্তু যেখান থেকে এল মুক্তা, সেই ঝিনুকের কথা আর যাঁরা জীবন বিপন্ন করে সত্যিকারের মুক্তা খঁুজে বেড়ান, তাঁদের কথা ভুলে যেয়ো না

20/04/2018
আপনি কি জানেন গোল্ডিয়ান ফিঞ্চের বাচ্চার মুখে এমন থাকে কেন? তারা প্রাইভেসি পছন্দ করে, তাই অনেক আধারে ঘর বাধে, আর সেই আধার...
19/04/2018

আপনি কি জানেন
গোল্ডিয়ান ফিঞ্চের বাচ্চার মুখে এমন থাকে কেন?
তারা প্রাইভেসি পছন্দ করে, তাই অনেক আধারে ঘর বাধে, আর সেই আধারে যেন বাচ্চাদের খাওয়াতে পারে, তাই সৃষ্টিকর্তা তাদের জন্যে এই ব্যাবস্থা করে দিয়েছে, বাচ্চার মুখের গোটা গুলার মত দেখতে যেগুলা, সেগুলা গ্লো করে অন্ধকারে, আর সেটা দেখে প্যারেন্টস খাওয়ায় ওদের😮😮💓💓💓

Collected Post

19/04/2018
Dove Bird
03/04/2018

Dove Bird

Address

Akbarshah Majar Road, Akbarshah Railway Housing Society, Plot No/32 ( Rashid Monjil) Road No-4. Pahartali, Akbarshah
Chittagong
4202

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nihal's Aviary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nihal's Aviary:

Share

Category