25/10/2023
এই জাতের পাখির নাম হাফ সাইডার।
হাফ সাইডার মুলত কোনো মিউটিশোন না এটা জেনেটিক ডিসঅর্ডার আবার এটা নিয়ে মতভেদ আছে যদিও, আরেকটা হলো ফিমেল পাখি ডিমের ভিতরে যখন দুইটা কুসুম হয় তখন ওইটা থেকে যে বাচ্চা টা হয় ওইটা হাফ সাইডার হয়ে জন্ম নেয়।
আর এইটার মধ্যে ডি এনএ জাইগোট ফাইগোট এর ও কিছু বেপার আছে।
আবার বলা হয় ভিজ্যুয়াল হাফ সাইডারে, শরীরের একসাইডে রঞ্জক ক্রোমোজোমের একটি সেট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়,,, অন্যসাইডে শরীরের অংশের রঞ্জকটি অন্য একটি জাইগোট থেকে প্রাপ্ত ক্রোমোসোমের আরেকটি সেট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই কারণে হাফ সাইডার বাজরিগারগুলো সাধারণত শরীরের দুই সাইডে দুই কালারের হয়।যেমনটি এই প্রজাতির অন্যান্য রঙ এবং প্যাটার্নের বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। এটি আসলে একটি টেট্রাগ্যামেটিক কাইমারার একটি বিরল উদাহরণ। প্রতিটি হাফ সাইডারের আলাদা ডিএনএ রয়েছে, জেনেটিক্যালি স্বতন্ত্র কোষ রয়েছে এবং ফলস্বরূপ পাখি কার্যকর হয়, দুটি বাজিগর একত্রিত হয়ে একটি একক স্বায়ত্তশাসিত ব্যক্তি গঠন করে।
হাফ সাইডার বাজিগরের ক্ষেত্রে, দৃশ্যমান হাফ সাইডার তৈরি করার জন্য উভয় ভ্রূণকেই আলাদা জেনেটিক ফিনোটাইপ (একটি সবুজ, একটি নীল, উদাহরণস্বরূপ) থাকতে হবে। যদি উভয় "অর্ধেক" একই রঙের হয়, তবে এটি এখনও একটি টেট্রাগ্যামেটিক কাইমেরা হবে, তবে হাফ সাইডার নয়।হাফ সাইডারের পক্ষে একদিকে পুরুষ এবং অন্য দিকে মহিলা হওয়াও সম্ভব (অর্ধ নীল, অর্ধেক বাদামী সের দ্বারা প্রমাণিত) - একটি দ্বিপাক্ষিক গাইনড্রোমর্ফের উদাহরণ।
একটি হাফ সাইডারের বংশবৃদ্ধি করলেও আরো হাফ সাইডার তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, এমনকি যখন দুটি হাফ সাইডার একসাথে প্রজনন করা হয়, কারণ অর্ধেকটির জেনেটিক মেকআপ যা প্রজনন ব্যবস্থা তৈরি করে এমন কোষগুলিকে অবদান রাখে, যা পরে স্থায়ী হবে, ধরে নেওয়া যায় যে পাখি প্রথম স্থানে এমনকি উর্বর হয়. অন্য হাফ সাইডার তৈরির সুযোগ অন্য যেকোনো বাজিগরের জোড়ার মতোই হবে।
এখন বিষয়টা হলো কেউ যদি এটারে জেনেটিক ডিসঅর্ডার না বলে দুই কুসুম এর ব্যাওয়ার আর জাইগোট ক্রোমোজমের কথা টাও বলে তাহলেও সেম ই কারণ এটা যেহেতু সবক্ষেত্রে সাভাবিক ভাবে হয় না কিছু কিছু হয় তাই একপ্রকার ডিসঅর্ডার ই বলা যায়।
সবার ভালোবাসার পাখি ভালো থাকুক এই কামনায়!
Sharif Aviary 🦜🕊️🐦
Page→ Sharif Aviary