Doras Paws

Call Website Contact the business

Doras Paws cat's lovely vedio and important tips��

মধ্যরাত পেরিয়ে গেছে। চারপাশ নীরব। হঠাৎ পাড়ার একটি সিকিউরিটি ক্যামেরায় ধরা পড়ল অদ্ভুত এক দৃশ্য।মধ্যরাত পেরিয়ে গেছে। চারপা...
12/09/2026

মধ্যরাত পেরিয়ে গেছে। চারপাশ নীরব। হঠাৎ পাড়ার একটি সিকিউরিটি ক্যামেরায় ধরা পড়ল অদ্ভুত এক দৃশ্য।
মধ্যরাত পেরিয়ে গেছে। চারপাশ নীরব। হঠাৎ পাড়ার সিকিউরিটি ক্যামেরায় ধরা পড়ল অদ্ভুত এক দৃশ্য।গলির শেষ মাথায় থাকা একটি পুরোনো বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল একটি বেওয়ারিশ কুকুর। কিছুক্ষণ পর এল আরও একটি। তারপর আরেকটি… এভাবে দেখতে দেখতে এক ঘণ্টার মধ্যেই বাড়িটির সামনে জড়ো হতে শুরু করল ডজন ডজন কুকুর। ভোর হওয়ার আগেই সেখানে শত শত কুকুরের জমায়েত!

প্রতিবেশীরা প্রথমে ভাবলেন, হয়তো কেউ তাদের খাবার দিচ্ছে। কিন্তু কয়েক দিন ধরে সেই বাড়িতে কাউকে ঢুকতে বা বের হতে দেখা যায়নি।

অবশেষে অ্যানিমাল কন্ট্রোলের লোকজন সেখানে পৌঁছালেন। তারা ভেবেছিলেন, হয়তো বড় কোনো বিশৃঙ্খলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে গিয়ে যে দৃশ্য দেখলেন, তা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

সব কুকুর আশ্চর্যজনকভাবে শান্ত।
তারা কেউ কারও সঙ্গে লড়াই করছে না, ছুটাছুটি করছে না। সবাই শুধু বাড়িটির প্রধান দরজার দিকে তাকিয়ে বসে আছে।

কর্মকর্তারা এরপর বাড়ির ভেতরে ঢুকে একা বসবাসকারী বৃদ্ধ লোকটির খোঁজ নিলেন।
ভেতরে গিয়ে জানা গেল, কয়েক দিন আগে হঠাৎ শারীরিক জটিলতায় পড়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকতেও পারেননি। তবে সৌভাগ্যক্রমে তখনও তিনি জীবিত ছিলেন।

কিন্তু এরপর যে বিষয়টি জানা গেল, সেটিই সবাইকে সবচেয়ে বেশি অবাক করল।
বছরের পর বছর ধরে ওই বৃদ্ধ মানুষটি শহরের বিভিন্ন জায়গায় থাকা বেওয়ারিশ কুকুরদের প্রতিদিন সন্ধ্যায় খাবার দিতেন। তাদের জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী খাবার জোগাড় করতেন, যত্ন নিতেন।

অনেক কুকুরই হয়তো তাকে কয়েক মাস দেখেনি। তবুও মানুষটির প্রতি তাদের ভালোবাসা যেন একটুও কমেনি।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বৃদ্ধের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই প্রথম কুকুরটি এসে বাড়ির সামনে বসে। এরপর একে একে অন্য কুকুরগুলোও সেখানে আসতে থাকে।

শেষ পর্যন্ত সাহায্য পৌঁছানোর আগেই বাড়িটির সামনে জড়ো হয়ে যায় শত শত কুকুর।
হয়তো তারা কথা বলতে পারে না।
হয়তো তারা বলতে পারে না “আপনি কোথায়?”
কিন্তু তারা তাদের ভালোবাসার মানুষটির দরজায় এসে অপেক্ষা করতে জানে।

মানুষের দেওয়া ভালোবাসা হয়তো মানুষ ভুলে যেতে পারে, কিন্তু প্রাণীরা অনেক সময় সেই ভালোবাসা সারাজীবন মনে রাখে।

মানুষের চেয়ে কুকুর বেশি বিশ্বস্ত, কারণ কি জানেন কুকুর কখনো বেইমানী করে না।

কুটু, তোর সেই মায়াবী চাহনিটা আজও চোখের সামনে ভাসে। কতটা ভালোবাসতিস আমাকে, আর আমিও তোকে কতটা ভালোবাসতাম—সেটা হয়তো কোনোদ...
11/09/2026

কুটু, তোর সেই মায়াবী চাহনিটা আজও চোখের সামনে ভাসে। কতটা ভালোবাসতিস আমাকে, আর আমিও তোকে কতটা ভালোবাসতাম—সেটা হয়তো কোনোদিন ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।

চোখ বন্ধ করলেই চোখের পাতায় ভেসে ওঠে আমাদের কত স্মৃতি। একটা সময় ছবি তোলার কত নেশা ছিল আমার! তোকে নিয়ে কত ছবি তুলতাম, কত মুহূর্ত ক্যামেরায় ধরে রাখতাম। অথচ হঠাৎ করে সবকিছু বদলে গেল।প্রায় আড়াই বছর আর কোনো ছবি তোলা হয়নি।

শেষবার তোর ছবি তুলেছিলাম যেদিন তুই এই পৃথিবী থেকে চিরদিনের জন্য বিদায় নিলি। সেই ছবিটাই আজ আমার কাছে তোর সবচেয়ে কষ্টের।

ভালো থাকিস কুটু। যেখানেই থাকিস, শান্তিতে থাকিস।
এই জীবনে তোকে হারিয়েছি, কিন্তু আমার স্মৃতিতে তুই কোনোদিন হারাবি না।

ওপারে দেখা হবে তোর সাথে…
অনেক ভালোবাসা রইল, আমার কুটু।

একটা ছবি কখনো কখনো একটা পুরো পৃথিবীকে ধরে রাখে। আমার পেজের নাম “ডোরা”।ডোরাও চলে গেছে অনেক দিন হলো।উপরে কভার ফটোতে যে দুট...
10/09/2026

একটা ছবি কখনো কখনো একটা পুরো পৃথিবীকে ধরে রাখে।

আমার পেজের নাম “ডোরা”।
ডোরাও চলে গেছে অনেক দিন হলো।
উপরে কভার ফটোতে যে দুটো বিড়ালকে দেখছেন, ওদের নাম ছিল লুসি আর ডোরা। লুসিও চলে গেছে—প্রায় পাঁচ বছর হয়ে গেল।

আর গতকাল কুটুও চলে গেল। 🐾

এক এক করে সবাই যেন চলে যাচ্ছে।
কেউ আগে, কেউ পরে—শুধু তাদের রেখে যাওয়া স্মৃতিগুলো রয়ে যাচ্ছে ছবির পাতায়, আমার মনে।

ভাবতে অবাক লাগে, যাদের একদিন খুব আপন করে জীবনের অংশ বানিয়েছিলাম, আজ তাদের সঙ্গে আমাদের দেখা হয় শুধু ছবিতে।
আর এভাবেই আস্তে আস্তে সবাই চলে যাচ্ছে…

একদিন আমিও চলে যাব।
এটাই হয়তো জীবনের সবচেয়ে কঠিন অথচ চিরন্তন নিয়ম—কেউ এখানে চিরদিন থাকে না, থেকে যায় শুধু ভালোবাসা আর স্মৃতি।

হয়তো কোনো এক নীরব রাতে ছবির দিকে তাকিয়ে মনে হবে—
“ওরা ছিল… ওরা আমাকে ভালোবাসত… আর আমিও ওদের খুব ভালোবাসতাম।🐾

২০১৯ সালে কুটুকে আমার বাসায় নিয়ে আসছিলাম।খুব সাধারণ ছিল তার চাহিদা—সব ধরনের খাবার খেত, আর আমি খেতে বসলে আমার খাবার টেব...
09/09/2026

২০১৯ সালে কুটুকে আমার বাসায় নিয়ে আসছিলাম।খুব সাধারণ ছিল তার চাহিদা—সব ধরনের খাবার খেত, আর আমি খেতে বসলে আমার খাবার টেবিলের পাশে এসে চুপচাপ বসে থাকত।যেনো আমার খাবার দেই।

কুটু ছিল আমার জীবনের দ্বিতীয় বিড়াল, কিন্তু আমার হৃদয়ে তার জায়গাটা ছিল একেবারেই আলাদা। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সে খেয়েছে, বেঁচে থাকার চেষ্টা করেছে। বয়স হয়ে যাওয়ায় চোখে সমস্যা হয়েছিল, অপারেশন করিয়েছি। পরে মুখের ভেতর টিউমার হয়েছিল, সেটারও অপারেশন করিয়েছি। যতটা সম্ভব, শেষ পর্যন্ত ওর পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

আজ ভগবানের মন্দিরের পাশে নিজের হাতে কুটুকে মাটিতে দিয়ে এলাম। মনে হলো, ও যেন সবসময় সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদের কাছেই থাকে।

কুটু, তুই হয়তো আর আমার পাশে নেই, কিন্তু আমার স্মৃতিতে তুই সারাজীবন বেঁচে থাকবি।তোমাকে আমি কোনোদিন ভুলব না।

সবাই আমার কুটুর জন্য দোয়া করবেন।
ও যেন শান্তিতে থাকে।

09-09-2026.

14/08/2026

কি ঘুম রে বাবা

বিড়ালের ফ্লু ও রেভিসের ভ্যাকসিন একদম ফ্রি
21/06/2026

বিড়ালের ফ্লু ও রেভিসের ভ্যাকসিন একদম ফ্রি

এই ছবিটি আমাদের বুঝিয়ে দেয় আমাদের জীবনে অভিভাবকদের গুরুত্ব কতখানি! সে যখন তার খামারী মালিকের কাছে ছিলো তখন তার কত সুন্দর...
05/06/2026

এই ছবিটি আমাদের বুঝিয়ে দেয় আমাদের জীবনে অভিভাবকদের গুরুত্ব কতখানি! সে যখন তার খামারী মালিকের কাছে ছিলো তখন তার কত সুন্দর বাহ্যিকরূপ ছিলো। নিয়মিত তাকে গোসল, খাওয়ানো এমনকি ট্রাম্পের মত করে চুলও আচরে দিতো।

দেখতে তাকে একেবারে ধবধবা নাদুসনুদুস সুন্দর লাগতো। সারা বিশ্বের তার সেই সৌন্দর্য এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত ল্যুক আলোচিত হয়।

14/05/2026

Lets goooo

একটা কুকুর বাঁচার জন্য কত ছটফট করছিলো খান জাহান আলী মাজারের দিঘিতে। কেউ একজন অবলা প্রাণীটাকে মজা করে কুমিরের সামনে দিয়ে ...
10/04/2026

একটা কুকুর বাঁচার জন্য কত ছটফট করছিলো খান জাহান আলী মাজারের দিঘিতে। কেউ একজন অবলা প্রাণীটাকে মজা করে কুমিরের সামনে দিয়ে গেছে৷ শিকড় দিয়ে তার পা বাঁধা ছিলো। নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছে কুকুরটা, কিন্তু পারেনি। পাশেই সবাই দাঁড়িয়ে থেকে ভিডিও করতেছিলো, কিন্তু কেউ তাকে বাঁচাতে আসেনি। উল্টো তার অসহায় চাহনি দেখে সবাই মজা নিচ্ছিলো।

ধীরে ধীরে কুমিরটা এগিয়ে আসে৷ শেষ পর্যন্ত কুকুরটা আর বাঁচতে পারেনি। আশেপাশে থাকা মানুষগুলো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য উপভোগ করেছে। অথচ ঐ সময় মসজিদে আজান হচ্ছিলো৷

প্রতিদিন এভাবেই মানতের নাম করে এই মাজারে কখনো মুরগী, কখনো হাঁস আবার কখনো ছাগল কুমিরের সামনে দেওয়া হয়৷ এই কুমিরের নাম রাখা হয়েছে ধলা পাহাড়৷ সেদিন দু'জন লোককে দেখলাম কুমিরটার সামনে সেজদা দিচ্ছে (নাউজুবিল্লাহ)।

মানে ২০২৬ সালে এসেও এগুলো দেখতে হয়৷
আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দিক৷ আমরা আসলে কবে মানুষ হবো? 💔
©

এই বিল্ডিংয়ের মানুষজন ছোটবেলা থেকেই তাকে চিনত। সে ছিল চারতলার একটা ঘরের আদরের বিড়াল—মাঝে মাঝে মালিকের সাথে নিচে নামত, আব...
09/04/2026

এই বিল্ডিংয়ের মানুষজন ছোটবেলা থেকেই তাকে চিনত। সে ছিল চারতলার একটা ঘরের আদরের বিড়াল—মাঝে মাঝে মালিকের সাথে নিচে নামত, আবার তার সাথেই ওপরে উঠত। তার একটা নাম ছিল, গলায় ছিল কলার, আর ছিল একটা নির্দিষ্ট জীবন… যেটা ভালোবাসা দিয়ে তৈরি হয়েছিল।

তারপর একদিন এলো বদলের দিন…

ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রাকে করে জিনিসপত্র নামানো হলো। সব কিছু গুছিয়ে তারা চলে গেল—কিন্তু তাকে নিয়ে গেল না। তাকে রেখে গেল ছাদের উপর… কিছু দিনের জন্য পানি রেখে, যেন সেটাই যথেষ্ট একটা জীবন্ত প্রাণকে ফেলে যাওয়ার জন্য।

প্রথম কয়েকদিন ছাদ থেকে তার মিউ মিউ শব্দ শোনা যেত।

ধীরে ধীরে সেই ডাক কমে গেল…

একসময় পুরোপুরি থেমে গেল…

সে শুধু এক কোণে বসে থাকত, নিচের রাস্তার দিকে তাকিয়ে—যেন এখনও অপেক্ষা করছে, হয়তো চিনে ফেলবে কোনো পরিচিত ছায়া, কোনো প্রিয় মানুষকে।

তিন সপ্তাহ পর… আর সহ্য করতে না পেরে তৃতীয় তলার এক আপা তাকে নিজের বাসায় নিয়ে নিলেন। সেই শেষ দিনটার একটা ছবি তিনি তুলে রেখেছিলেন…

নতুন ঘরে ঢোকার পর সে

শান্তভাবে চারপাশ ঘুরে দেখল…

একটু পরে সোফায় গিয়ে বসে পড়ল…

আর কখনো ছাদে ফিরে যেতে চায়নি।

তবে ওই আপা বলেন—

কখনো কখনো তাকে চুপচাপ উপরের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখেন…

কোনো কারণ ছাড়াই…

#সংগৃহীত

Address

Rajarbag
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doras Paws posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Doras Paws:

Shortcuts

Share