20/03/2024
⚠️ 𝗛𝗼𝗹𝗱 𝗼𝗻 পোস্টটি সম্পূর্ণ না পড়লে আপনার বিড়াল 𝗧𝗵𝗿𝗲𝗮𝘁 বা বিপদ এর মধ্যে থাকবে।
🌿আপনারা কি জানেন, আপনাদের পোষা বিড়ালকে কতটুকু খাবার খাওয়ানো উচিত একদিনে?
😺আমরা যারা আমাদের আদরের বিড়ালকে খাওয়াই তখন ভাবি যে এত কম খেলে কি ওদের পেট ভরবে কি!
🔰আসলে আমাদের জানতে হবে বিড়াল খায় কতটুকু এবং দিনে কয়বার তাদের খাবার দিতে হবে।
𝗙𝗶𝗿𝘀𝘁𝗹𝘆 বিড়ালের খাবারের পরিমাণ ও সময় বিভিন্ন কারণে পরিবর্তন করতে পারে, কিন্তু সাধারণত বিড়ালের দৈনন্দিন খাবারের পরিমাণ ৮০-১২০ গ্রাম খাবার এবং সময় সকালে এবং সন্ধ্যায় হতে পারে। তবে, এটা পরিবর্তন করতে পারে যদি বিড়াল বেশি কাজ করে বা গতি অনুযায়ী আরো খাবার প্রয়োজন হয়। এই অতিরিক্ত খাবার দুপুর বেলা খাওয়ানো যেতে পারে।
𝗦𝗲𝗰𝗼𝗻𝗱𝗹𝘆 বিড়ালের ক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে, তার সামনে সবসময় খাবার দিয়ে রাখা যাবে না। একটি নির্দিষ্ট সময় নির্দিষ্ট পাত্রে খাবার দিয়ে দিতে হবে, পরবর্তীতে ৩০মিনিট পর খাবারের পাত্রটি সরিয়ে নিতে হবে। এতে করে খাবারের অপচয় এবং খাবারের প্রতি অনীহা সৃষ্টি হবে না।
𝗧𝗵𝗶𝗿𝗱𝗹𝘆 প্রতি বেলা ভিন্ন ভিন্ন খাবার দেয়ার চেষ্টা করতে হবে এবং তা যেনো বাসি খাবার না হয় খেয়াল রাখতে হবে। এক বেলার খাবার অন্য বেলায় দেয়া যাবে না এবং অবশিষ্ট খাবার অবশ্যই ফেলে দিতে হবে।
𝗙𝗼𝘂𝗿𝘁𝗵𝗹𝘆 এই গরমে আপনার বিড়ালকে যথেষ্ট পানি খেতে দিন। বিড়াল অন্যান্য প্রাণীদের তুলনায় পানি কম পান করে তাদের কিডনিতে কম নেফ্রন থাকায় পানির চাহিদা কম এবং মুত্র ও কম হয়। তাই যদি সে নিজ থেকে পানি না পান করে তাহলে আপনরা জোর করে পানি খাওয়াবেন মুখে দিয়ে দিয়ে।
✅এখন প্রশ্ন জাগতে পারে আমরা কি খাওয়াতে পারি তাহলে তাদের!!!!
বিড়াল মাংসাশী প্রাণী। তারা মাংস খেতে খুব পছন্দ করে। এই মাংস আমরা সিদ্ধ করে খাওয়াতে পারি। সিদ্ধ করা পানীয় অংশটুকুও দিতে পারি। মুরগির যাবতীয় অংশবিশেষ সব স্টক বানিয়ে খাওয়াতে পারি। মাছ ও হালকা লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে দিতে পারি। এছাড়াও অন্যান্য আমরা মানুষ যা খাই তাদেরও তা খাওয়াতে পারি কিন্তু হজম অযোগ্য বা শক্ত কিছু তাদের খাওয়ানো উচিত নয় যা বদহজম থেকে শুরু করে কোষ্ঠকাঠিন্য তৈরি করতে সম্ভব।
আপনার পোষ্য বিড়ালকে ক্যাটফুড যতটা সম্ভব কম দিন। যদিও এতে ব্যালান্সড খাদ্য উপাদান সব থাকায় বিড়ালের গ্রোথ ও শারীরিক অবস্থা ভালো থাকে কিন্তু এই ক্যাটফুড দিলে অন্য বাসায় বানানো খাবারে অনীহা থাকে কিছুটা! ইউরিন ও বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে ব্লাডার এ পাথর হওয়ার জন্য।
তাই আপনার বিড়ালকে পরিমাণমত খাওয়াবেন । মনে রাখবেন অতিরিক্ত খাবার স্থূলতা, ডায়বেটিস সহ বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে। তাই পরিমাণমত খাবার দিন । নিয়মিত ৩ মাস পরপর কৃমিনাশক ঔষধ খাওয়ান। সুস্থ রাখুন নিজের পোষ্য বিড়ালকে। ধন্যবাদ।