ভেটেরিনারিয়ান'স ডায়েরি-Veterinarian's diary

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ভেটেরিনারিয়ান'স ডায়েরি-Veterinarian's diary

ভেটেরিনারিয়ান'স ডায়েরি-Veterinarian's diary Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ভেটেরিনারিয়ান'স ডায়েরি-Veterinarian's diary, Veterinarian, Dhaka.
(1)

উপচুদলিংপং কর্মকর্তা প্রাণিসম্পদ🫥
08/08/2026

উপচুদলিংপং কর্মকর্তা প্রাণিসম্পদ🫥

Doctor of DHMS জিনিসটা মুলত কী🤦‍♂️
08/08/2026

Doctor of DHMS জিনিসটা মুলত কী🤦‍♂️

মুরব্বি মুরব্বি, উহু উহু।ভ্যাট কী!!
08/08/2026

মুরব্বি মুরব্বি, উহু উহু।
ভ্যাট কী!!

প্রতিটি বিভাগে বিশেষায়িত ভেটেরিনারি হাসপাতাল করার পরিকল্পনা রয়েছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীবিভাগে বিশেষায়িত হাসপাতাল করে...
08/08/2026

প্রতিটি বিভাগে বিশেষায়িত ভেটেরিনারি হাসপাতাল করার পরিকল্পনা রয়েছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
বিভাগে বিশেষায়িত হাসপাতাল করে আধো কোন বেনিফিট হবে বরং ইউনিয়নে ভেট নিয়োগ করুন।

কিরে ইয়নের আশরাফুল🤦‍♂️
08/08/2026

কিরে ইয়নের আশরাফুল🤦‍♂️

ভোকেশনাল থেকেও আজকাল ডিভিএম🤦‍♂️
08/08/2026

ভোকেশনাল থেকেও আজকাল ডিভিএম🤦‍♂️

08/08/2026

ডা.টাইটেল ব্যবহার করায়,আমাদের পেইজের পোস্ট দেখে একশন নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানাই।

আপনি যখন ডাক্তারের কাছে যাবেন, তখন আপনার মোট চিকিৎসা খরচের মাত্র ৫-১৫% খরচ হয় ডাক্তারের ভিজিটে।বাকি ৮৫-৯৫% খরচটার অর্ধেক...
08/08/2026

আপনি যখন ডাক্তারের কাছে যাবেন, তখন আপনার মোট চিকিৎসা খরচের মাত্র ৫-১৫% খরচ হয় ডাক্তারের ভিজিটে।

বাকি ৮৫-৯৫% খরচটার অর্ধেকেরও বেশি যায় ওষুধে, বাকিটা টেস্টে।

সব মিলিয়ে, আপনার মোট চিকিৎসা খরচের মোটামুটি ৪০-৫০%ই আসলে ওষুধের খরচ। ভিজিটের খরচ মাত্র ৫-১৫%।

এবং বাংলাদেশ যেহেতু এখানে স্বল্পোন্নত দেশ, তাই এখানে দরিদ্র মানুষের সংখ্যাই বেশি। এখানে সবচেয়ে দরকারি ওষুধগুলোর দাম তাই সরকারকে নির্ধারন করে দেয়া লাগে।

বাংলাদেশ সরকার তাই ১১৭টি এসেনশিয়াল ড্রাগের দাম ১৯৯৪ সালে নির্ধারন করে দেয়, যে তালিকা পরে আর লম্বা করা হয়নি- মূলত ওষুধ কোম্পানিদের চাপে।

কিন্তু এই ওষুধগুলোর একটা বড় অংশই ডাক্তাররা আর ব্যবহার করেন না। ঐদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের দাম বেড়েই চলেছে।

এ অবস্থাতেই ২০২৪ এর জুলাইয়ের বিপ্লবে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হয়, ক্ষমতায় আসে নোবেলবিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

ক্ষমতায় এসে ইন্টেরিম সরকার দেখল- এই তালিকা হালনাগাদ করতে হবে, আরো অধিক সংখ্যক ওষুধের দাম নির্ধারন করতে হবে।

বহু জায়গার বহু চাপ সামলে, ইন্টেরিম গভমেন্ট দাম নির্ধারন করা ওষুধের তালিকা বাড়াল।

তারিখটা ছিল ৮ জানুয়ারি, ২০২৬।

দাম নির্ধারণ করা ওষুধের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৭ থেকে ২৯৫টি। বাকি ওষুধগুলোর দাম যথারীতি বেসরকারি ফার্মা কোম্পানিগুলো নির্ধারণ করবে।

১১৭টির বদলে ২৯৫টি ওষুধের দাম নির্ধারন করে দেয়ার এই ঘটনাটা জুলাই বিপ্লবের স্বাস্থ্যখাতে হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলোর একটি।

কিন্তু সেই সংস্কারটা খুব বেশি দিন টিকল না।

আজকে ৮ মাসের মাথায় সেই সংস্কার বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে পূর্বের মতই ১১৭টি ওষুধের দাম নির্ধারন করা থাকবে। বাকিগুলোর দাম বেসরকারি ফার্মা কোম্পানিগুলোর হাতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

অথচ দেশের অর্থনীতির অবস্থা স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ, মানুষের হাতে টাকা নাই। কিভাবে চিকিৎসা করাবে?

কতটা খারাপ অবস্থা, শোনেন।

আমি নিজে চেম্বার ও অনলাইনে স্কিন, চুল এবং নখের রোগী দেখি। মাঝে মাঝেই দেখি, কিছু রোগী বলেন যে- আপনার অনলাইনের ৫১০ টাকা ভিজিটটা এ মুহুর্তে হবে না, পরে দেখাই। পরে বহু কষ্ট করে ভিজিটটা পে করে আমাকে দেখান।

চিন্তা করেন, ৫১০ টাকা মানুষের হাতে ক্যাশ থাকে না। এই অল্প কয়টা টাকা। অর্থনীতি এতটাই ধ্বংসের মুখে।

আর ওষুধ কিনতে এমনিতেই ভিজিটের ৭-৮ গুন বেশি টাকা খরচ হয়। এভারেজে ২-৩-৪ হাজার টাকার ওষুধ রোগভেদে লাগেই।

এই ৭-৮ গুন খরচটা এখন ১০-১২ গুন হবে সরকারের এ সিদ্ধান্তে। আপনি সব টেস্টসহ ৭-৮ হাজার টাকার কমে মোট চিকিৎসা খরচ আনতেই পারবেন না এখন। কম সিরিয়াস রোগগুলোতেও রেগুলারলিই এই খরচ ১০ হাজার ছাড়াবে।

আজকের দিনটা তাই দেশের স্বাস্থ্য খাতের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে।

মানুষ দেখছে, দুই হাজার শহীদ ও ত্রিশ হাজার আহতের রক্তের, দৃষ্টিশক্তির এবং পঙ্গুত্বের বিনিময়ে আসা দেশের স্বাস্থ্যখাতের একটি বৃহৎ সংস্কারকে কিভাবে কলমের খোঁচায় নস্যাৎ করা হল।

একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে রাখলাম।

সাদুল্লাপুর প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তার বিদায় অনুষ্ঠানে ঔষধ কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের সরব উপস্থিতি! এর আগে অনেক বিদা...
07/08/2026

সাদুল্লাপুর প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তার বিদায় অনুষ্ঠানে ঔষধ কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের সরব উপস্থিতি! এর আগে অনেক বিদায় অনুষ্ঠানে চাঁদা তুলে বিগত সময়ে কর্মকর্তাদের বিদায় দেওয়া থেকে শুরু করে নানা মুখী অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পেত তারা! তাহলে প্রশ্ন হলো তারা কি নিজেরা দায়িত্ব নিলেন? নাকি কর্মকর্তারা তাদের খরচ বাঁচাতে অপারগ? এদিকে এর আগে উপ-সহকারি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম (প্রাত্তন) তার সান্ধ্যকালীন বিদায় অনুষ্ঠানের শেষ সময়ে খাবার টেবিলে বসে রেখে খাবার পরিবেশনের আগে স্থানীয় ২ জন সাংবাদিককে ও সে সময়ে দপ্তরের নিযুক্ত থাকা একটি প্রকল্পের সুপারভাইজারকে ইংগিত করে "যারা যারা চাঁদা দেন নাই তারা টেবিল থেকে উঠে চলে যান" বলে উচ্চস্বরে বলার চেষ্ঠা করেন একমি কোম্পানি (ভেটেরিনারি) ঔষধ প্রতিনিধি জামিরুল ইসলাম। তিনি সকল কোম্পানিগুলো প্রতিনিধিদের বস হিসাবে পরিচিত। সে দিন এ ঘটনার জেরে তার প্রতি ক্ষুদ্ধতা থাকলেও দপ্তরের প্রধানের মুখের দিকে তাকিয়ে এবং দপ্তর প্রধান বিষয়টিতে অবগত থেকে দুই পক্ষের মাঝে সমঝোতা করলেও এখনো দাগ কাটেনি যাদেরকে তিনি লাঞ্জিত করেছেন।

পরে সাংবাদিক মাসুদ সহ অন্য সাংবাদিক ঐ ভরা অনুষ্ঠানে একমি কোম্পানির প্রতিনিধি জামিরুল কিছু না বলেই হট্টগোল সৃষ্টি করে এবং পরে প্রকল্পের সুপারভাইজার মুনির হাসানের সার্বিক পরিস্থিতিতে বেপরোয়া দেখে দুই পক্ষের মাঝে ভুলবোঝা বুঝির সমাধানের চেষ্ঠা করলেও তা ব্যার্থ হয় এবং পরে জামিরুল তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং বিষয়টিতে লজ্জিত না হয়ে বরং তার ক্ষিপ্ততা আরো বেশি প্রকাশ পায়।

Lddp driver chilo🤣
07/08/2026

Lddp driver chilo🤣

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভেটেরিনারিয়ান'স ডায়েরি-Veterinarian's diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category