কৃষিবিদ ডা. নাজির হোছাইন

কৃষিবিদ ডা. নাজির হোছাইন Dairy and Poultry Consultant -দুগ্ধ খামার ও পোল্ট্রি পরামর্শক।

🐄 গাভীর Mastitis (ওলান প্রদাহ): কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ🥛 সুস্থ গাভী মানেই নিরাপদ দুধ ও বেশি দুধ উৎপাদন।ডেইরি খাম...
22/08/2026

🐄 গাভীর Mastitis (ওলান প্রদাহ): কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
🥛 সুস্থ গাভী মানেই নিরাপদ দুধ ও বেশি দুধ উৎপাদন।
ডেইরি খামারে Mastitis বা ওলান প্রদাহ একটি সাধারণ কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রোগ। সময়মতো শনাক্ত ও সঠিক ব্যবস্থাপনা না করলে দুধ উৎপাদন কমে যায় এবং খামারির আর্থিক ক্ষতি হয়।
🔹 Mastitis কী?
Mastitis হলো গাভীর দুধ উৎপাদনকারী স্তনগ্রন্থির প্রদাহ, যা প্রধানত বিভিন্ন জীবাণুর সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। যেমন— Staphylococcus, Streptococcus ও E. coli।
🔹 Mastitis-এর প্রধান দুই ধরন:
✅ Clinical Mastitis: দুধে ছানা/দলা, রং বা ঘনত্বের পরিবর্তন, ওলান ফুলে যাওয়া, গরম ও ব্যথাযুক্ত হওয়া এবং কখনো জ্বর দেখা দিতে পারে।
✅ Subclinical Mastitis: বাইরে থেকে তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায় না, কিন্তু দুধ উৎপাদন কমে যায়। CMT (California Mastitis Test) বা Somatic Cell Count (SCC) পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়।
🔍 যে লক্ষণগুলো খেয়াল করবেন:
• দুধে ছানা, দলা বা অস্বাভাবিকতা
• দুধের পরিমাণ কমে যাওয়া
• ওলান ফুলে যাওয়া/গরম ও ব্যথাযুক্ত হওয়া
• গাভীর জ্বর বা খাবারে অনীহা
• দুধের গুণগত মানের অবনতি
🛡️ প্রতিরোধের মূল কৌশল:
✔️ দুধ দোহনের আগে ও পরে Teat dipping করা
✔️ পরিষ্কার ও শুকনো পরিবেশে গাভী রাখা
✔️ দুধ দোহনের সময় হাত, কাপড় ও যন্ত্রপাতি পরিষ্কার রাখা
✔️ আক্রান্ত গাভীকে শনাক্ত করে আলাদাভাবে দুধ দোহন করা
✔️ নিয়মিত CMT করে Subclinical Mastitis শনাক্ত করা
✔️ ওলানে আঘাত ও ক্ষত প্রতিরোধ করা
✔️ খামারের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা
💊 চিকিৎসার ক্ষেত্রে সতর্কতা:
Mastitis-এর ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করে যোগ্য ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা করতে হবে। প্রয়োজনে দুধের নমুনা পরীক্ষা করে উপযুক্ত ওষুধ নির্বাচন করা উচিত।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের পর নির্ধারিত Milk Withdrawal Period শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেই দুধ মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার বা বাজারজাত করা যাবে না।
👉 মনে রাখবেন:
“Early Detection + Proper Milking Hygiene + Regular CMT = Better Udder Health & Better Milk Production” 🐄🥛

একটা মেয়ে বাছুর জন্ম থেকে মা হওয়া পর্যন্ত করণীয় 🐄🌿একটি মেয়ে বাছুর জন্ম নেওয়ার পর থেকে বড় হয়ে দুধ দেওয়া পর্যন্ত স...
29/08/2025

একটা মেয়ে বাছুর জন্ম থেকে মা হওয়া পর্যন্ত করণীয় 🐄🌿

একটি মেয়ে বাছুর জন্ম নেওয়ার পর থেকে বড় হয়ে দুধ দেওয়া পর্যন্ত সঠিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সঠিক যত্ন না নিলে ভবিষ্যতে সে ভালো দুধ দেবে না, এমনকি অসুস্থও হয়ে পড়তে পারে। তাই কিছু ধাপে ধাপে করণীয় নিচে দেওয়া হলো👇

🔹 জন্মের পরপরই যত্ন

জন্মের ৩০ মিনিটের মধ্যে বাছুরকে প্রথমে কলোস্ট্রাম দুধ খাওয়াতে হবে।

নাভি জীবাণুমুক্ত করতে আয়োডিন সলিউশন ব্যবহার করতে হবে।

🔹 প্রথম ৩ মাসের যত্ন

মায়ের দুধ বা বিকল্প দুধ খাওয়াতে হবে।

পরিষ্কার পানি সবসময় দিতে হবে।

ছোট করে ঘাস বা খুদ খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

🔹 ৪-৬ মাসের যত্ন

দুধ কমিয়ে শুকনো ঘাস, খড়, ভুসি খাওয়ানো শুরু করতে হবে।

প্রতি ৩ মাস পরপর কৃমিনাশক ওষুধ দিতে হবে।

ভ্যাকসিন (FMD, HS, BQ, Brucellosis ইত্যাদি) দিতে হবে।

🔹 ৬ মাস থেকে ১ বছর

ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও মিনারেলস মিশিয়ে দিতে হবে।

ভালো মানের ঘাস, খড় ও কনসেনট্রেট ফিড খাওয়াতে হবে।

নিয়মিত রোদে রাখতে হবে।

🔹 ১ বছর থেকে পূর্ণ বয়স পর্যন্ত

প্রতিদিন পর্যাপ্ত সবুজ ঘাস, খড়, ভুসি, খৈল, দানাদার খাবার দিতে হবে।

কৃমির ওষুধ ও ভ্যাকসিন চালিয়ে যেতে হবে।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে।

🔹 গর্ভধারণের সময় যত্ন

প্রজনন উপযুক্ত বয়স সাধারণত ১৫-১৮ মাস।

গর্ভবতী হলে বিশেষ খাওয়াদাওয়া দিতে হবে।

ভারী কাজ করানো যাবে না।

নির্দিষ্ট সময়ে টিকা দিতে হবে।

🔹 মা হওয়ার সময়

পরিষ্কার জায়গায় রাখতে হবে।

বাছুরকে প্রথম দুধ খাওয়ানো জরুরি।

মাকে পর্যাপ্ত খাবার দিতে হবে।

👉 সংক্ষেপে: সঠিক খাওয়াদাওয়া, সময়মতো টিকা ও ওষুধ, পরিচ্ছন্নতা আর নিয়মিত যত্নই একটি ছোট্ট মেয়ে বাছুরকে ভবিষ্যতে সুস্থ-সবল মা গরুতে পরিণত করে।

** অবশ্যই বিভিন্ন মেডিসিন প্রয়োগের আগে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

#গরুপালন #বাছুরযত্ন #দুধালগরু #ডেইরিফার্ম #কৃষি #কৃষি_পরামর্শ #বাংলাদেশকৃষি #পশুপালন

ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ (Lumpy Skin Disease - L*D) গরুর একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা গরুর ত্বকে বড় বড় ফোলা (nodules) তৈরি করে এব...
22/06/2025

ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ (Lumpy Skin Disease - L*D) গরুর একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা গরুর ত্বকে বড় বড় ফোলা (nodules) তৈরি করে এবং খুব কষ্টদায়ক হতে পারে। এটি "Capripoxvirus" নামক ভাইরাস দ্বারা ছড়ায়, সাধারণত মাছি, মশা বা টিকের মাধ্যমে। এই রোগে আক্রান্ত গরুদের দ্রুত চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।

---

✅ চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা (Treatment & Management):

1. ভ্যাকসিন প্রদান (Vaccination):

এই রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন সবচেয়ে কার্যকর।

আক্রান্ত না হলেও আশেপাশের গরুদের ভ্যাকসিন দিয়ে সুরক্ষা দেওয়া উচিত।

2. জ্বর ও ব্যথার ওষুধ:

প্যারাসিটামল বা NSAIDs জাতীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পারে জ্বর ও ব্যথা কমাতে (vet prescription অনুযায়ী)।

3. অ্যান্টিবায়োটিক (Secondary Infection Control):

যেহেতু ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না, তবে ঘা থেকে সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ঠেকাতে দেয়া হয় (যেমন: Oxytetracycline, Penicillin)। অবশ্যই পশু চিকিৎসকের পরামর্শে।

4. অ্যান্টিসেপটিক স্প্রে বা মলম:

চামড়ার ঘা পরিষ্কার রাখতে অ্যান্টিসেপটিক দ্রবণ (Betadine, Savlon) ব্যবহার করুন।

5. পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত পানি:

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গরুকে পুষ্টিকর খাবার (ভিটামিন, খইল, গুঁড়া ভূষি, খোল) ও প্রচুর পানি দিন।

6. আইসোলেশন (আলাদা রাখা):

আক্রান্ত গরুকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখুন যাতে রোগ না ছড়ায়।

---

✅ অগ্রিম প্রস্তুতি (Preventive Measures):

1. ভ্যাকসিনেশন:

বছরে একবার ভ্যাকসিন দিন (বিশেষ করে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালের আগে)।

2. পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ:

গরুর গায়ে টিক, মাছি বা মশা যাতে না বসে তার জন্য স্প্রে করুন (Pyrethroid-based স্প্রে)।

3. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:

গরুর বাসস্থান নিয়মিত পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।

4. নতুন গরু আনার সময় কোয়ারান্টিনে রাখা:

নতুন গরু কমপক্ষে ১০-১৫ দিন আলাদা রাখুন আগে দেখে তারপর মূল দলে মিশান।

---

🔴 যখন ডাক্তার ডাকবেন:

গরুর ঘা থেকে পুঁজ বের হলে

অতিরিক্ত জ্বর হলে (104°F এর বেশি)

হাঁটতে বা খেতে না পারলে

চোখ থেকে পানি পড়লে বা নাক দিয়ে রস বের হলে

সবাই বেশি বেশি শেয়ার করুন ধন্যবাদ।

কক্সিডিওসিসের ক্ষেত্রে ভিটামিন বি সুপারিশ করা হয় না কারণ:১. *ফলিক অ্যাসিড বিরোধ*: কক্সিডিয়া পরজীবীদের বৃদ্ধি এবং বংশবৃ...
16/06/2025

কক্সিডিওসিসের ক্ষেত্রে ভিটামিন বি সুপারিশ করা হয় না কারণ:

১. *ফলিক অ্যাসিড বিরোধ*: কক্সিডিয়া পরজীবীদের বৃদ্ধি এবং বংশবৃদ্ধির জন্য ফলিক অ্যাসিডের প্রয়োজন হয়।

ভিটামিন বি৯ (ফলিক অ্যাসিড) সম্পূরকগুলি আসলে কক্সিডিয়ার বৃদ্ধিকে সমর্থন করতে পারে, যা সংক্রমণকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

২. *পরজীবীর বংশবৃদ্ধি বৃদ্ধি*: বিশেষ করে ভিটামিন বি১২, কক্সিডিওসিস সৃষ্টিকারী পরজীবী আইমেরিয়া প্রজাতির বংশবৃদ্ধি বৃদ্ধি করে বলে প্রমাণিত হয়েছে।

৩. *Micoflora ভারসাম্য*: ভিটামিন বি সম্পূরক অন্ত্রের microflora ভারসাম্য পরিবর্তন করতে পারে, যার ফলে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার অত্যধিক বৃদ্ধি ঘটতে পারে এবং কক্সিডিওসিস আরও বেড়ে যেতে পারে।

৪. *কক্সিডিয়াল ওষুধের সাথে প্রতিবন্ধক*: ভিটামিন বি সম্পূরকগুলি কক্সিডিয়াল ওষুধের কার্যকারিতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারে।

12/06/2025

হঠাৎ গাভী গরুর দুধ কমে যাওয়ার কারণ ও করণীয়

সমস্যা:
অনেক সময় দেখা যায় যে, গাভী বা গরু হঠাৎ করে কম দুধ দিচ্ছে। এটি খামারিদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হলেও সঠিক কারণ জানা থাকলে সমাধান সহজ।

সম্ভাব্য কারণসমূহ:

1. খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন বা অপূর্ণতা

প্রোটিন, খনিজ বা ভিটামিনের ঘাটতি

2. পর্যাপ্ত পানি না পাওয়া

দুধ তৈরিতে পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

3. গাভীর স্বাস্থ্য সমস্যা

যেমন মাস্টাইটিস (স্তন প্রদাহ), জ্বর বা প্যারাসাইট সংক্রমণ

4. গর্ভধারণ বা গোপন প্রজনন অবস্থা

অনেক সময় গাভী গর্ভবতী হলে দুধ কমে যায়

5. চাপ ও পরিবেশগত পরিবর্তন

খামারের পরিবেশ, শোরগোল, নতুন স্থানে স্থানান্তর ইত্যাদি

6. দুধ দোহনের ভুল পদ্ধতি

সময় অনিয়ম, অপরিচ্ছন্নতা বা ভুল কৌশল

করণীয়:

প্রতিদিন নির্ধারিত পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার দিন

গাভীকে সবসময় পরিষ্কার পানি নিশ্চিত করুন

সঠিক নিয়মে ও সময়মতো দুধ দোহন করুন

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান

যদি সমস্যা বজায় থাকে, ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ নিন
খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ও মিনারেল মিশ্রণ (লিভার টনিক, ক্যালসিয়াম, সল্ট ব্লক) যুক্ত করুন।

দুধ কমে গেলে খাদ্য কমিয়ে দিবেন না খাদ্য আগের মতোই স্বাভাবিক রাখবেন। গাভ জনীত সমস্যা বা গরুর শরীরদূর্বল নাকি সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। হঠাৎ করে খাদ্য কমে দিলে গরুর শরীর আর বেশি দূবল হয়ে পরবে। তাই উচিত আগের মতোই খাদ্য খাওয়ানো।

খামারে সচেতনতা ও নিয়মিত তদারকি হলে এই সমস্যা সহজেই এড়ানো সম্ভব।

কৃষি ভিত্তিক তথ্যের জন্য পেইজটি ফলো দিয়ে রাখবেন ধন্যবাদ ✅🥀💚🌸🤝

তথ্যগুলো সংগ্রহ করে রাখতে শেয়ার দিয়ে রাখুন ✅💚

11/06/2025

ডি-হরনিং এর উপকারিতা

ডি-হরনিং (Dehorning) অর্থ হলো গরুর শিং সম্পূর্ণরূপে অপসারণ করা। এটি বিশেষ করে বাছুর বয়সেই করা হয়, যেহেতু এই সময় অপারেশনটি তুলনামূলকভাবে সহজ, নিরাপদ এবং কম যন্ত্রণাদায়ক। আধুনিক পশু ব্যবস্থাপনায় ডি-হরনিং একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত। এর অনেক উপকারিতা রয়েছে, যা গরুর সুস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার দিক থেকে অত্যন্ত কার্যকর।
🟢 ডি-হরনিং এর প্রধান উপকারিতা:
নিরাপদ পশু ব্যবস্থাপনা:শিংযুক্ত গরু অনেক সময় একে অপরকে শিং দিয়ে আঘাত করে, যার ফলে মারাত্মক জখম বা মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। ডি-হরনিং করলে এই ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে যায়।
কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত:খামারে কাজ করা কর্মীরা শিংযুক্ত গরুর কারণে অনেক সময় আহত হন। শিং অপসারণের ফলে তাদের জন্য কাজ করা আরও নিরাপদ হয়ে উঠে।
খাদ্য গ্রহণে সহায়ক:অনেক সময় গরু শিং দিয়ে অন্য গরুকে তাড়িয়ে খাদ্য গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করে। ডি-হরনিং করলে গরুরা শান্তভাবে খাদ্য গ্রহণ করতে পারে।
আধুনিক খামার ব্যবস্থায় সহায়ক:হাইটেক বা আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনায় গরুর সংখ্যা বেশি থাকে, যেখানে সংরক্ষণ, চিকিৎসা ও দুধ দোহনের সময় ডি-হরনিং করা গরুদের ব্যবস্থাপনা অনেক সহজ ও ঝুঁকিমুক্ত হয়।
বাজারমূল্য বৃদ্ধি:অনেক ক্রেতা ডি-হরন করা গরু কিনতে পছন্দ করেন কারণ এগুলোর ঝুঁকি কম এবং ব্যবস্থাপনায় সুবিধাজনক। ফলে বাজারে এমন গরুর চাহিদা এবং মূল্য উভয়ই বেশি হয়।
আঘাতজনিত ইনফেকশন ও ক্ষতির ঝুঁকি হ্রাস:শিং দিয়ে একে অপরকে আঘাত করার ফলে ক্ষত তৈরি হয়, যা থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। ডি-হরনিং এর মাধ্যমে এই ঝুঁকিটি অনেকাংশে হ্রাস পায়।
🔶 উপসংহার:
ডি-হরনিং একটি মানবিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত প্রক্রিয়া যা গরুর শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করে। এটি খামার ব্যবস্থাপনাকে আরও সুষ্ঠু, নিরাপদ এবং লাভজনক করে তোলে। বাছুর বয়সে সঠিক সময়ে এবং সঠিক পদ্ধতিতে ডি-হরনিং করা হলে ভবিষ্যতে গরুর যত্ন নেওয়া আরও সহজ হয়।

👨‍⚕️copied

কুরবানি কিউটনেস১) কুরবানির পশুর বয়স হওয়াটা জরুরি। এবং এই বয়স বুঝার একটা সুনির্দিষ্ট মাপকাঠি আছে। গরুর ক্ষেত্রে নিচের পাট...
05/06/2025

কুরবানি কিউটনেস

১) কুরবানির পশুর বয়স হওয়াটা জরুরি। এবং এই বয়স বুঝার একটা সুনির্দিষ্ট মাপকাঠি আছে। গরুর ক্ষেত্রে নিচের পাটির ২ দাঁত বড় হয়ে গেলে তখন তাঁর বয়স সাধারণত ২.৫ বছর অতিক্রান্ত হয়। ২ বছর যেহেতু কুরবানির জন্য "কাট অফ" বয়স তাই আপনাকে দাঁত দেখেই গরু কিনতে হবে। কারো কাছে জন্ম কার্ড থাকলে সেটা দেখেও কেনা যেতে পারে, কিন্তু বাজারে সেটা পাবেন কই? ছাগল/ভেড়ার ক্ষেত্রে এই দাঁত বড় হয় ১ বছর ৩ মাসের দিকে। অতএব, দাঁত দেখে কিনবেন।

ছবি দিলাম। দেখে নেন।

২) প্রায়ই একটা কথা অনেকে বলে, এত বড় গরু কি বয়স হয় নাই? আপনাকে আমি ৪-৫ মণ ওজনের দেড় বছরের গরু এনে দেখাতে পারবো। এমনকি এখন এমন বাছুর ও বাংলাদেশে পয়দা হয় যাকে মায়ের পেট হতে বেরোবার পরই জবাই করলে আপনি প্রায় ১ মণ মাংশ পাবেন।

অন্তত, আমরা ভেট মানুষ। আমাদের শিখায়েন না।

৩) অনেকে দাঁত বুঝেন না। বিক্রেতাকে জিগান দাঁত উঠছে কিনা। বিক্রেতাও চোয়াল খুলে দেখিয়ে দেয় "হ দাঁত উঠছে।" আপনিও ড্যাংগা ড্যাংগা করে চলে আসেন। বিক্রেতা এত শরীয়াত বুঝলে গরুর মুখই খোলার দরকার ছিলোনা। ওর দরকার টাকা।

কুরবানি আপনার, দাঁত দেখার দায়িত্বও আপনার।

৪) অনেকে আবার বলেন "গরু বড় হলেই কুরবানি হয়ে যাবে।" (ছবি দেখেন। এক বিক্রেতার সাথে আমার আলাপন।)
ইয়েস! গোশত খাওয়া হবে। কিন্তু কুরবানি হবে কিনা মুফতিদের থেকে জিজ্ঞাসা করবেন।

এন্ড অফ টক!

৫) "দাঁত মিলাতে গেলে গরু পাইনা। বাজেটে মিলেনা।"
কথা ঠিক। তো সেক্ষেত্রে শরীকদার বাড়ান, যাদের কুরবানি ওয়াজিব না তাঁদের নাম বাদ দেন। নাইলে গ্রাম হতে দেশী ছোট গরু নেন। গাভী বা বকনা নেন। এগুলার দাম তো কম থাকে।

আল্লাহ! "সামাজিক ট্যাঠাস" বলে কথা আছেনা? লেডি কেমনে কুরবানি দেয়?

গাভী গরুকে কুরবানি না দেবার রীতিটা কোনদিক থেকে আসছে বলা লাগবে?

৬) গরু কিনেছেন? ভেরি গুড। তো ঐটাকে বাসায় নামানোর সময় ৫ ফুট উঁচু ট্রাকের র‍্যাম্প থেকে লাফ দিয়ে নামাতে হচ্ছে কেন? কোনো একটা ব্যবস্থা করা যায় না? বস্তা বিছানো বা গাছের পাটাতন বিছানো যায় না?
আপনি এই ৬০-৭০ কেজি ওজন নিয়ে ৫ ফুট লাফাইতে পারবেন না আর একটা ৪০০-৫০০ কেজি ওজনের পাগলা বিরিষকে বলতেছেন লাফাইতে। এরপর যখন পা ভাংবে তখন কুরবানের আগের দিনই জবাই দেয়া লাগবে।

ভালো তো! মাংশ খেতে খেতে নামাজে যাবো। ইয়াহু!

৭) গরু নামাইছেন? ভেরি গুড। তো ঐটাকে গতকাল রাতের ভাত খাওয়াইতে কে বলছে? এত আদর হলে বাজার থেকে ভালো ভুষি নিয়ে আসেন। দুই দিন ভাত খাওয়াইয়া ওজন ১ মণ বাড়াবেন নাকি?

উলটা কুরবানির আগেই ছুরি শান দেয়া লাগতে পারে।

৮) কুরবানির গরু কেনে কেউ জিতেনা, কেউ ঠকেনা। কুরবানির গরুর আসলে কোনো মূল্য হয় না। জিতে সেই যার কুরবানি কবুল হয়। হারে সেই যারটা কুরবানি কবুল হয় না।

এইগুলা আলোচনা কইরেন না ভাইলোক।
ভালো না ভাই আমার!

©@ #পাশার_ভাষা

05/06/2025

আমরা আবার মাস্ক পরার দিকে ফিরে যাচ্ছি। COVID-Omicron XBB অতীতের থেকে আলাদা কারণ এটি মারাত্মক এবং সনাক্ত করা সহজ নয়, তাই সকলকে মাস্ক পরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

১. নতুন COVID-Omicron XBB এর লক্ষণগুলি হল:

i). কাশি নেই।
ii). জ্বর নেই।
বেশিরভাগ লক্ষণগুলি নিম্নরূপ।

iii). জয়েন্টে ব্যথা।

iv). মাথাব্যথা।
v). গলা ব্যথা।

vi). পিঠে ব্যথা।

vii). নিউমোনিয়া।

viii). ক্ষুধা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে।

২. এছাড়াও, COVID-Omicron XBB ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং এর মৃত্যুর হারও বেশি।

৩. খুব অল্প সময়ের মধ্যে লক্ষণগুলি অত্যন্ত তীব্র হয়ে উঠবে এবং স্পষ্ট লক্ষণগুলির অনুপস্থিতিতেও পরিবর্তন ঘটবে।

৪. তাই আপনাকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।

* এই রূপটি নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল অঞ্চলে পাওয়া যায়নি, এবং তুলনামূলকভাবে অল্প সময়ের মধ্যে এটি সরাসরি ফুসফুসের "জানালা" প্রভাবিত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখাতে শুরু করে।

৫. COVID-OmicronXBB-তে সংক্রামিত অল্প সংখ্যক রোগীকে জ্বর-মুক্ত এবং ব্যথা-মুক্ত হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, তবে এক্স-রেতে হালকা নিউমোনিয়া দেখা যায়। এছাড়াও, নাকের গহ্বরের মধ্য দিয়ে তুলার সোয়াব পরীক্ষা করে COVID-Omicron XBB নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল পরীক্ষার সময় মিথ্যা নেতিবাচক পরীক্ষার উদাহরণ বাড়ছে। তাই এই ভাইরাসটি খুবই ধূর্ত। এর ফলে, ভাইরাসটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি মানুষের ফুসফুসকে সংক্রামিত করে, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্যা সৃষ্টি করে। এটি ব্যাখ্যা করে যে কেন COVID-Omicron XBB এত সংক্রামক এবং মারাত্মক হয়ে উঠেছে। *

৬. যতটা সম্ভব জনাকীর্ণ স্থান এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গায় এমনকি ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, মাস্কের উপযুক্ত স্তর পরুন এবং লক্ষণ ছাড়া কাশি বা হাঁচি না দিলে ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন।

এই COVID-Omicron XBB "WAVE" প্রথম COVID-19 মহামারীর চেয়েও মারাত্মক।
* অতএব, বিচক্ষণ, বৈচিত্র্যময় এবং নিবিড় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।

[বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সাথে এই বিভাগটি শেয়ার করতে ভুলবেন না]।
[এই বার্তাটি নিজে বুকমার্ক করবেন না]।
অনুগ্রহ করে আপনার আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুদের যতটা সম্ভব বলুন।

নিরাপদ থাকার জন্য বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরতে ভুলবেন না।
©

Address

Moheshkhali
Cox's Bazar
4710

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কৃষিবিদ ডা. নাজির হোছাইন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category