23/12/2025
এন্টিবায়োটিকস বনাম গরু!
বাংলাদেশের গ্রামীণ খামারগুলোতে রোগ মানেই এন্টিবায়োটিকস!
পেট ফাপা-এন্টিবায়োটিক!
জর-এন্টিবায়োটিক!
পাতলা পায়খানা -এন্টিবায়োটিক!
সর্দি-এন্টিবায়োটিক!
খায়না, রুচী নাই-এন্টিবায়োটিক!
কাশি-এন্টিবায়োটিক!
প্রথমদিন থেকেই এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ যথেচ্ছভাবে চলতেই থাকে। এমনকি, জর উঠলে আগের জরের ইঞ্জেকশন /ট্যাবলেট দেয়ার আগেই এন্টিবায়োটিক দিতে বেশি প্রস্তুত থাকেন অতি অভিজ্ঞ খামারী/পল্লীচিকিৎসক/কোয়াক কিংবা উন্নতমানের পল্লীচিকিৎসক/স্থানীয়ভাবে কর্মরত কিছু অসাধু ওষুধ প্রতিনিধি! ম্যাজিক চিকিৎসায় বিশ্বাসী এসব প্রতারকের প্রতারণায় কন্ডিশন খারাপ হয় প্রায়ই, কয়েক হাত পরিবর্তন শেষে ডাক্তার বেচারা হাতড়াতে মরেন গরুর জীবন বাচানোর টেনশনে! ওষুধ দিবেন নাকি সাইড ইফেক্ট কাটিয়ে গরু টিকাবেন এটা বড় চ্যালেঞ্জ!
বি: দ্র: রোগ হলেই এন্টিবায়োটিক নয়, রোগ নিশ্চিতভাবে অনুসন্ধান জরুরি এবং অপেক্ষা করা দরকার। কারণ, রোগ হলেই সাথে সাথে মেডিসিন দিতেই হবে এটা সবসময় জরুরি নয়। শরীরের নিজস্ব কিছু প্রতিরোধ তৈরি করার ক্ষমতা আছে, সেটির জন্য প্রয়োজনীয় সময় এবং প্রতিরোধী উপাদান দরকার যা পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবারের মাধ্যমে পেয়ে থাকে। সঠিক চিকিৎসা পরামর্শ পেতে স্থানীয় রেজিস্ট্রারড ডাক্তারের পরামর্শ নিন।